SIR থেকে নাম বাদ দিলে ধর্না, মুখ্যমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার SIR প্রসঙ্গে কঠোর বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “একজনের নামও বাদ দিলে আমি ধর্নায় বসে থাকব। বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না।” ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Waiting Through Time, Mamata Refuses to Move Until the Symbol Appears

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার SIR প্রসঙ্গে কঠোর বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “একজনের নামও বাদ দিলে আমি ধর্নায় বসে থাকব। বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত খিদে ভোটের দু’মাস আগে SIR করা হচ্ছে। আমাদের কাছে খবর পৌঁছেছে যে যারা ঠাকুরদা-ঠাকুমার নাম দিয়েছে, তাদেরকে হিয়ারিং-এ ডাকা হবে। আর এই হিয়ারিং থেকেই নাকি নাম বাদ দেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমি চাই, বাংলায় কাউকে ভিন্ন আচরণের মুখোমুখি হতে দিতে পারব না। একজনও নাগরিক যাতে অন্যায়ভাবে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে আমি সমস্ত ব্যবস্থা নেব। যদি এমন হয়, আমি নিজে ধর্নায় বসব। এটি শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি মানুষের অধিকার ও ন্যায়ের প্রশ্ন।”

   

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে এক শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দিতে চেয়েছেন যে, বাংলায় ভোটের আগের সময়ে নাগরিকদের কোনোরূপ অন্যায় আচরণ রাজ্য সরকার মেনে নেবে না। SIR বা স্টেট-লেভেল ইন্ডিভিজুয়াল রিভিউ হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নাগরিকদের তালিকা যাচাই করা হয়। সম্প্রতি এই প্রক্রিয়ার সময় পশ্চিমবঙ্গের কিছু নাম সম্ভাব্যভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে যারা “ঠাকুরদা-ঠাকুমার” নাম প্রদান করেছেন, তাদের হিয়ারিংয়ের মাধ্যমে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেন, “এই ধরনের প্রক্রিয়া যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে বাংলার মানুষকে অকারণ সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। তাই আমি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিচ্ছি—একজনও নাগরিক যেন বাদ না পড়ে।” মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি সরকারকে সতর্ক করে দেওয়ার পাশাপাশি নাগরিকদের আশ্বাসও দিচ্ছে যে, তাদের অধিকার রক্ষা করা হবে।

 

 

 

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google