সরকারি হাসপাতালে ফের হেনস্থার অভিযোগ! মুখ্যমন্ত্রী কার পাশে, প্রশ্ন সুজনের

কলকাতা: ‘সরকারি হাসপাতাল’ এবং ‘হেনস্থা’, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে দুটি যেন সমার্থক শব্দ হয়ে গিয়েছে। আর প্রতিটা ঘটনাতেই নাম জড়াচ্ছে শাসকদলের। উলুবেড়িয়া, বীরভূমের পর এবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলাম্পুরের সরকারি ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

কলকাতা: ‘সরকারি হাসপাতাল’ এবং ‘হেনস্থা’, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে দুটি যেন সমার্থক শব্দ হয়ে গিয়েছে। আর প্রতিটা ঘটনাতেই নাম জড়াচ্ছে শাসকদলের। উলুবেড়িয়া, বীরভূমের পর এবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলাম্পুরের সরকারি হাসপাতালে মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীকে শাসানির অভিযোগ তৃণমূলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে।

ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সিপিআইএমের (CPIM) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty)। এক্সে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি লেখেন, “ইসলামপুর হাসপাতালে নার্স ও সরকারি কর্মচারীদের হেনস্থা এবং অসভ্যতা করেছে তৃনমূলের পোষা গুন্ডা আর নেতারা। নিন্দা জানানোর কোন ভাষা নেই।” সেইসঙ্গে পোস্টটিতে বর্ষীয়ান বাম-নেতা আরও লেখেন, “মুখ্যমন্ত্রী কার পাশে? নার্স এবং সরকারি কর্মীদের পাশে? নাকি সরকার পোষিত গুন্ডাদের পাশে?”

   

http://x.com/Sujan_Speak/status/1982094517387006383

জানা গিয়েছে, রোগী মৃত্যুর অভিযোগ পেয়ে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে (Islampur) হাজির হন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি কানহাইয়ালাল আগরওয়াল। সেখানে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে কর্তব্যরত এক মহিলা নার্সের সঙ্গে অভব্য আচরণ এবং হুমকি দেন তিনি। যদিও ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি শাসক শিবির।

মমতার (Mamata Banerjee) শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গ ‘জঙ্গলের রাজত্বে’ পরিণত হয়েছে বলে সুর চড়িয়ে আসছে বিরোধীরা। মহিলাদের উপর একের পর এক ধর্ষণ, নির্যাতনের ঘটনা সত্ত্বেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় অপরাধীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে রাজ্য বলে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন তাঁরা। আর জি কর, আইন কলেজের মত ভয়ংকর ঘটনার পর শাসকদলের ‘গুন্ডারা’ বুঝে গেছে তাঁদের গায়ে কেউ হাত দিতে পারবে না। তাই নির্ভয়ে অপরাধ ঘটিয়ে যাচ্ছে তাঁরা বলে অভিযোগে সরব বিজেপি সহ বাম-কংগ্রেস।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google