নন্দীগ্রাম: নির্বাচনে হিট লিস্টে থাকা নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনা যেন ক্রমশ চরমে উঠছে। (Nandigram bomb attack)তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কর্মীসভা করতে আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, স্থানীয় তৃণমূল নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের দাউদপুর অঞ্চলে। তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য ও জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শেখ শামসুল ইসলামের বাড়ির সামনে সকালের দিকে এই বোমাবাজি হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হঠাৎই জোরালো শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়া দেখা যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালিয়ে কয়েকটি তাজা বোমা উদ্ধার করে। এখনও পর্যন্ত কেউ আহত হয়নি, কিন্তু বোমাগুলো যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল বলে জানা গিয়েছে।
আরও দেখুনঃ দীর্ঘ অবহেলা! ছত্তিশগড় বেদান্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ২৩
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং বোমাগুলো কোথা থেকে এলো, কারা এই কাজ করেছে সবকিছু খতিয়ে দেখছে।এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়ে গেছে। শেখ শামসুল ইসলামের পরিবারের দাবি, এটি বিজেপির চক্রান্ত। তারা বলছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমনের আগে তৃণমূলকে বিব্রত করতেই এই ধরনের কাজ করা হয়েছে। তৃণমূল নেতারা বলছেন, নন্দীগ্রামে তাদের শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে দেখে বিরোধীরা অস্থির হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগকে একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপি নেতারা বলছেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর কাজ হতে পারে। তারা দাবি করেন, নন্দীগ্রামে তৃণমূলের সন্ত্রাসের ইতিহাস অনেক পুরনো। বিজেপির এক স্থানীয় নেতা বলেন, “তৃণমূল নিজেরাই বোমা-বাজি করে বিরোধীদের ওপর দোষ চাপায়। এটা তাদের পুরনো কৌশল। পুলিশ যদি নিরপেক্ষ তদন্ত করে, তাহলে সত্য বেরিয়ে আসবে।”




















