Kolkata, April 24: গতকাল চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মুম্বাইয়ের ঘরের মাঠে এই ম্যাচটি ১০৩ রানে সিএসকে’র কাছে হেরেছে হার্দিকরা। ম্যাচ শেষেই শুরু হয় আরেক বিতর্ক। মুম্বাইয়ের বিপক্ষে নিয়ম বহির্ভূত খেলোয়াড় ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
সাধারণত আইপিএলে একটি দল ১১ জন মূল খেলোয়াড় এবং ১ জন ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ সহ মোট ১২ জন খেলোয়াড় ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স বনাম চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচে ১৩ জন খেলোয়াড় ব্যবহার করে মুম্বাই শিবির। এরপরই নিয়ম ভঙ্গের প্রশ্ন ওঠে। শুরু হয় বিতর্ক।
Read More: RCB vs GT: মহারণে বিরাট-গিল, শেষ ম্যাচের ক্ষত ভুলে কে কামব্যাক করবে?
ঘটনার প্রেক্ষাপট, ফিল্ডিং করার সময় ক্যাচ ধরতে গিয়ে কাঁধে চোট পান মিচেল স্যান্টনার। তাঁর পরিবর্তে ‘কনকাশন সাব’ হিসাবে শার্দূল ঠাকুর মুম্বাইয়ের হয়ে ব্যাট করতে নামে। এছাড়া তার আগেই ‘ইমপ্যাক্ট সাব’ হিসাবে মহম্মদ গজনফরের জায়গায় নামানো হয়েছিল দানিশ মালেওয়ারকে। তখনই প্রশ্ন মুম্বাই শিবিরের ১৩ জন খেলোয়াড়কে খেলানোর প্রসঙ্গ ওঠে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (ICC) নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ক্রিকেটার মাথায় চোট পেলে তবেই ‘কনকাশন সাব’ হিসাবে অন্য কাউকে খেলানো যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে কাঁধে চোট পান। তাহলে স্যান্টনারের জায়গায় শার্দূল কীভাবে মাঠে নামতে পারেন? পাশাপাশি সব কিছু জেনে আম্পায়ার, রেফারি কীভাবে এই অনুমিত দিলেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
ম্যাচের এ বিষয়ে মুম্বই কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে বলেছেন, “স্যান্টনারের কাঁধে লেগেছে ঠিকই। তবে তার আগে প্রথম মাথায় এবং গলায় আঘাত পেয়েছিল। সাজঘরে ফিরে আসার পর ওর মাথা ঘুরছিল। ওকে শুইয়ে রাখা হয়। এটা ঠিক, স্যান্টনারের কাঁধে বরফ দেওয়া হচ্ছিল। পাশাপাশি ও স্বস্তি বোধ করছিল না। তাই ওকে স্ক্যান করানোর জন্য পাঠানো হয়।”
জয়বর্ধনে আরও বলেন, “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমরা নিইনি। আমরা অবশ্যই স্যান্টনারের পরিস্থিতির কথা জানিয়ে কনকাশন সাবের জন্য আবেদন করেছিলাম। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ম্যাচ রেফারি এবং আম্পায়ারেরা। তাঁরাই শার্দূলকে নামানোর অনুমতি দিয়েছেন। তা ছাড়া, শার্দূলকে দিয়ে বল করানো হয়নি। স্যান্টনার আর শার্দূল একই ধরনের ব্যাটার। তাই ওকে নামানোর কথা ভাবা হয়। স্যান্টনার ব্যাট করতে পারল না। ও হতাশ হতে পারে। আশা করি, স্যান্টনারের চোট গুরুতর হবে না।”




















