Turkey Syria Earthquake: ১৯০০…+ মৃত্যু মিছিলে শিউরে উঠছেন উদ্ধারকারীরা

Turkey Syria Earthquake: ভূমিকম্পে মৃত্যু উপত্যকা তুরস্ক-সিরিয়া। দুই দেশের অন্তর্বর্তী স্থানে এ যাবত কালের সর্বাধিক ভয়ানক ভূমিকম্পে মৃত্যুর মিছিল চলছে।

By Kolkata24x7 Team

Published:

Updated:

Follow Us
Turkey Syria Earthquake

Turkey Syria Earthquake: ভূমিকম্পে মৃত্যু উপত্যকা তুরস্ক-সিরিয়া। দুই দেশের অন্তর্বর্তী স্থানে এ যাবত কালের সর্বাধিক ভয়ানক ভূমিকম্পে মৃত্যুর মিছিল চলছে। সর্বশেষ খবর (সোমবার রাত ৭.৫৬ মিনিট) পর্যন্ত কমপক্ষে ১৯০০ মৃত। আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পে মৃত্যুর এতবড় ঘটনায় গোটা বিশ্ব শিহরিত।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল গাজিয়ানটেপ থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার (২০ মাইল) এবং নুরদাগি শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার (১৬ মাইল) দূরে। এটি ১৮ কিলোমিটার (১১ মাইল) গভীরতায় কেন্দ্রীভূত ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাত ৪টা ১৭মিনিটে তুরস্কের নুরদাগি এলাকা থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭. ৮। ভূম্পিকম্পটি রাজধানী আঙ্কারা ও তুরস্কের অন্যান্য শহরেও অনুভূত হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট পুরো অঞ্চল জুড়েই কম্পন অনুভূত হয়েছে। গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১৭. ৯ কিলোমিটার

   

কয়েক সেকেন্ডের মাটি কাঁপা তুরস্ককে মৃত্যুর উপত্যকায় পরিণত করে দিয়েছে। তুরস্ক ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে ভূমিকম্প (Earthquake) অনুভূত হয়েছে। নুরদগি থেকে ২৩ কিলোমিটার পূর্বে কম্পন অনুভূত হয়। সিরিয়া পর্যন্ত এর প্রভাব দেখা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কারণে অনেক ভবন ধসে পড়েছে। ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে সিরিয়া পর্যন্ত। কম্পন এতটাই শক্তিশালী ছিল যে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান টুইটারে বলেছেন, তৎক্ষণাৎ ভূমিকম্প কবলিত এলাকায় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google