বহরমপুর: পুরনো ক্রিকেট মাঠের স্মৃতি ফিরিয়ে আজ বহরমপুরের রাস্তায় রাস্তায় (Mohammed Azharuddin)উৎসাহের ঢেউ তুললেন তেলেঙ্গানার মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন । দীর্ঘদিন পর বহরমপুরে পা রেখে তিনি সরাসরি এসেছেন স্থানীয় কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সমর্থনে প্রচারে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় রোডশো ও জনসভায় ভিড় জমিয়ে দিয়েছেন তিনি। হাজার হাজার সমর্থকের উপস্থিতিতে আজহারউদ্দিন বলেছেন, “এখানে আসতে খুব ভাল লাগছে।
অনেকদিন পর বহরমপুরে এসেছি, বিশেষ করে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হয়ে প্রচার করতে। আবহাওয়া সম্পূর্ণ কংগ্রেসের পক্ষে। আমরা জিতবই।”প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়কের এই সফর বহরমপুরের রাজনৈতিক ময়দানে নতুন উত্তাপ এনেছে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে অধীর চৌধুরীর সমর্থনে আজহারউদ্দিনের উপস্থিতি কংগ্রেস কর্মীদের মনে নতুন আশা জাগিয়েছে। তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে, হাত মিলিয়ে এবং ছোট ছোট জমায়েতে বক্তৃতা দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে, বহরমপুরের মানুষ এবার পরিবর্তন চায়।
আরও দেখুনঃ হাসিনাকে ফেরাতে মরিয়া ঢাকা, ‘ধীরে চলো’ নীতি দিল্লির! কোন পথে মুজিব-কন্যার ভাগ্য?
তাঁর কণ্ঠে ছিল সেই চিরকালীন আত্মবিশ্বাস যা মাঠে ব্যাট হাতে তিনি দেখিয়েছিলেন।সভায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁর তীব্র সমালোচনা। আজহারউদ্দিন স্পষ্ট করে বলেছেন, “যদি বিজেপি শুধুমাত্র একটি স্বতন্ত্র মহিলা সংরক্ষণ বিল আনত, তাহলে তা নিশ্চয়ই পাস হয়ে যেত। কিন্তু তারা সেই বিলের সঙ্গে ডেলিমিটেশন বিল জুড়ে দিয়ে পুরো বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছে।
ফলে বিলটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।” তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি আসলে মহিলাদের ক্ষমতায়ন চায় না, বরং রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চায়। ডেলিমিটেশন প্রক্রিয়ার সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণকে জুড়ে দিয়ে তারা দক্ষিণ ভারতসহ বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব কমানোর চেষ্টা করছে বলে তিনি মনে করেন।আজহারউদ্দিন বলেন, “মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।
কিন্তু বিজেপি এটিকে রাজনৈতিক খেলায় পরিণত করেছে। আলাদা করে বিল আনলে কংগ্রেসসহ বিরোধীরা সমর্থন করত। কিন্তু ডিলিমিটেশনের ফাঁদ পেতে তারা নিজেরাই ব্যর্থ হয়েছে।” তাঁর এই বক্তব্য বহরমপুরের মহিলা ভোটারদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। অনেক মহিলা সমর্থক বলছেন, “আমরা চাই সত্যিকারের ক্ষমতায়ন, রাজনৈতিক চালাকি নয়।”




















