কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আর দেরি নেই। (Mamata Banerjee)ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ মিটলেই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে ভোটের দিনক্ষণ। এই নির্বাচনী আবহেই বাংলাকে নতুন শ্মশান উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তি স্থাপন করলেন এবং নব রূপে নির্মিত সিড়িটি মহা শ্মশানের উদ্বোধন করলেন ভার্চুয়ালি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ফের একবার পারদ চড়েছে বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে। সরব হয়েছে বিরোধীপক্ষ বিজেপি।
বিজেপি সরাসরি মমতা বন্দোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষ করেছে। তারা বলেছে বাংলায় কর্ম সংস্থানের নাম করে শুধু চপ আর ঘুগনি শিল্প। আর নির্বাচনের আগে শ্মশান উপহার। তারা তৃণমূলকে নিশানা করে বলেছে তাদের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি কি আশা করা যায়। ২৬০০০ শিক্ষককে মৃত্যুর দোরগোড়ায় পাঠিয়েছে তৃণমূল। SIR এর নাম করে মিথ্যে ভয় দেখিয়ে BLO দের শ্মশানে পাঠিয়েছে তাই তৃণমূল যে ভোটের আগে বাংলাকে শ্মশান ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনা এমনটাই মনে করছে বঙ্গ বিজেপি।
তেল-বিদ্যুৎ অতীত এবার বেসামরিক বিমানেও আদানি ছায়া
শুধু বিজেপি নয় সরব হয়েছে রাজনৈতিক মহলের একাংশও তারাও ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারকে প্রশ্ন করেছে রাজ্যের শিক্ষা এবং কর্ম সংস্থান নিয়ে। এছাড়াও মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন দুর্গাঙ্গন এবং মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস নিয়েও। তারা বলেছেন মমতা সরকার শিল্পের জন্য রাখা জমিতে এই ধরণের ধর্মীয় স্থাপনার শিলান্যাস করেছেন। তাহলে শিল্প হবে কোন জমিতে। আবার অনেকেই বলেছেন যে রাজ্যের শিল্প আটকে দিয়েই মমতার মসনদ লাভ।
সিঙ্গুর আন্দোলনে পরিকল্পনা করে মমতা টাটার কারখানা ভেস্তে দিয়েছিলেন এবং সেখান থেকেই বাংলায় পালাবদল ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তাই তার কাছ থেকে বাংলার মানুষ শ্মশান ছাড়া আর কিছুই আশা করে না এখন। এছাড়াও বিরোধীদের অভিযোগ ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় বাংলার শিক্ষা ব্যাবস্থাও শ্মশানে পৌঁছে গিয়েছে। চাকরি হারা শিক্ষকরাও ধীরে ধীরে মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে।
তাই নির্বাচনের আগে তাদের উদ্দেশ্যে শ্মশান উপহার দিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি সহ বিরোধী দলগুলির এই মারাত্মক অভিযোগের পাল্টা এখনও কিছু আসেনি তৃণমূলের তরফ থেকে তবে রাজনৈতিক মহল সহ সাধারণ মানুষও দাবি তুলেছেন যে আর কতদিন বাংলার মানুষ শুধু ভাতায় বেঁচে থাকবে বাংলা কি কখনোই বড় শিল্পের মুখ দেখবে না। তারা কি শুধুই রাজ্য সরকারের কাছ থেকে উপহার পাবে মন্দির আর শ্মশান।




















