মাছের পর এবার বঙ্গ রাজনীতির নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ঝালমুড়ি। সাধারণত রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা এই জনপ্রিয় টক-ঝাল খাবারই এখন রাজনৈতিক প্রচারের এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠছে রাজ্যে। (Madan Mitra) সম্প্রতি সেই দৃশ্যই দেখা গেল দুই ভিন্ন রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি আস্বাদন, অন্যদিকে রাজ্যের পরিচিত নেতা মদন মিত্রের ঝালমুড়ি বানানোর দৃশ্য।
রবিবার ঝাড়গ্রামে একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে প্রোটোকল ভেঙে এক ঝালমুড়ির দোকানে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিনি স্থানীয় বিক্রেতার কাছ থেকে ঝালমুড়ি নেন এবং নিজে হাতে সেই টক-ঝাল মিশ্রণ উপভোগ করেন। শুধু তাই নয়, আশেপাশে থাকা কিছু শিশুকেও তিনি ঝালমুড়ি খাওয়ান।(Madan Mitra) এই অনানুষ্ঠানিক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মুহূর্তটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক আলোচনা। প্রধানমন্ত্রীর এই ঝালমুড়ি খাওয়ার দৃশ্য যখন রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, ঠিক সেই সময়েই নতুন চমক নিয়ে সামনে আসেন তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচিত মুখ মদন মিত্র। রাজনীতির ময়দানে তাঁর বর্ণময় উপস্থিতি এবং ভিন্নধর্মী আচরণের জন্য তিনি প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। সোমবার দুপুরে আগরপাড়া এলাকায় প্রচারে বেরিয়ে তাঁকে দেখা যায় একেবারেই ভিন্ন ভূমিকায়।
চোখে কালো রোদচশমা, পরনে সাদা পোশাক এই চেনা স্টাইলেই তিনি রাস্তায় নেমে পড়েন। প্রচার চলাকালীন হঠাৎই আগরপাড়া স্টেশনের কাছে একটি ঝালমুড়ির দোকানে থেমে যান তিনি। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বিক্রেতার কাছ থেকে ঝুড়ি নিয়ে নিজ হাতে ঝালমুড়ি মাখতে শুরু করেন মদন মিত্র। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সামনে তিনি বেশ সাবলীলভাবে এই কাজ করেন, যেন এটি তাঁর প্রতিদিনের অভ্যাস। শুধু ঝালমুড়ি তৈরি করেই থেমে থাকেননি তিনি। সেই ঝালমুড়ি নিজে খাওয়ার পাশাপাশি পাশে থাকা কর্মীদেরও খাওয়াতে দেখা যায় তাঁকে। এই দৃশ্য ঘিরে এলাকায় মুহূর্তেই তৈরি হয় উৎসাহ ও কৌতূহল। অনেকেই মোবাইলে সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।




















