‘রবিনহুড’ অধীরকে পিছনে ফেলে ‘নবাব রাজ্য’ বহরমপুরে এগিয়ে তৃণমূলের ইউসুফ

বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র অধীর চৌধুরীর দুর্গ বলেই পরিচিত। গত ২৫ বছর ধরে ওই কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন পোড়খাওয়া এই কংগ্রেস নেতা। এবারও ভোটে লড়েছেন অধীর। জিতলেই টানা ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
lok sabha election result 2024 berhampore adhir chowdhury yusuf pathan tmc bjp cpim congress winner losers candidates

বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র অধীর চৌধুরীর দুর্গ বলেই পরিচিত। গত ২৫ বছর ধরে ওই কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন পোড়খাওয়া এই কংগ্রেস নেতা। এবারও ভোটে লড়েছেন অধীর। জিতলেই টানা ষষ্ঠবার জয়ের নজির গড়বেন। কিন্তু ভোট গণনার প্রবনতায় দেখা যাচ্ছে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছেন অধীর। শুরুতে অধীর চৌধুরী এগিয়ে থাকলেও বেলা বাড়তেই অবস্থার বদল হয়। এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠান।

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনসারে বরমপুর লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠান এগিয়ে রয়েছেন ৫,৯৯০ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে অধীর চৌধুরী। একসময় প্রথম স্থানে থাকলেও পিছিয়ে পড়েছেন বিজেপি প্রার্থী ডাঃ নির্মল কুমার সাহা। সবমিলিয়ে এখনও ২১ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে রয়েছে বিজেপি প্রার্থী।

   

BJP: বেলা বাড়তেই বঙ্গ বিজেপির অফিস কার্যত শ্মশান

এ বারে অধীর চৌধুরীর ‘জয়’ নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে বহু আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান এবং জনপ্রিয় চিকিৎসক নির্মলচন্দ্র সাহা বিজেপির প্রার্থী হওয়ায় অধীরের জন্য ভোট সমীকরণ কঠিন ছিল বলেই রাজনৈতিক মহলের অনেকের মত।

এর আগে পাঁচ বার অধীরের মূল প্রতিপক্ষ কখনও সংখ্যালঘু অংশের ছিলেন না। তা ছাড়া ২০১৯ সালে অধীরের জয়ের ব্যবধান সাড়ে তিন লক্ষ থেকে ৮৭ হাজারে নেমে এসেছিল। যে বহরমপুর বিধানসভায় ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রায় ৮৯ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন অধীর, সেখানেই ২০২১ সালের বিধানসবা ভোটের নিরিখে প্রায় ৫০ হাজার ভোটে হেরেছে কংগ্রেস। এ হেন সমীকরণে এ বার বহরমপুর অধীরের জন্য ‘কঠিন’ বলে মেনে নিয়েছিলেন কংগ্রেসের নেতারাও।

বাংলা মমতারই, সব সমীক্ষা মিথ্যা করে এখনও পর্যন্ত বড় ব্যবধানে এগিয়ে তৃণমূল

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google