ঘাটাল: তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তার গাড়ি নেই, পিছনে হাঁটার মত মানুষও নেই। (Lakshmir Bhandar)তিনি একাই রাস্তায় ঘুরে ঘুরে লক্ষ্মীর ভান্ডারের প্রচার চালাচ্ছেন। বাংলার বিধানসভা নির্বাচন আবহে ঠিক এই অবতারেই দেখা গেল ঘাটালের লক্ষ্মী কর্মকারকে। ঘাটালের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের এই প্রকল্পের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচন আবহে রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের প্রচারের ঘটা আজকের রোজনামচায় পরিণত হয়েছে।
শাসক দল হোক কিংবা বিরোধী অভিনব ভোট প্রচারে নজর কাড়ছেন অনেকেই। বাড়ির মশলা বাটা থেকে শুরু করে দাড়ি কামিয়ে দেওয়া। আবার প্রচারে বেরিয়ে রোগী দেখা থেকে শুরু করে দৌড়ে, সাইকেল চালিয়েও ভাইরাল হয়েছেন অনেকে। তবে ঘাটালের লক্ষ্মী যেন ব্যাতিক্রম। সে তৃণমূলের প্রার্থী নয় কিন্তু তাও নজর কাড়া প্রচারে বেরিয়ে ভাইরাল তিনি। ভোট বড় বালাই, তাই লক্ষ্মী ভান্ডারের টাকা বেড়ে হয়েছে ১৭০০ আর এই বার্তা নিয়েই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার করতে হয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন লক্ষ্মী।
আরও দেখুনঃ একাই রাস্তায় নেমে ওলিতে গলিতে লক্ষ্মী ভান্ডারের প্রচারে ভাইরাল ঘাটালের লক্ষ্মী
এই পোস্ট সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হলে নানা মুনির না মত। রাজনৈতিক কোনও প্রতিক্রিয়া না এলেও নেটিজেনরা ভরিয়ে দিচ্ছেন কমেন্ট বক্স। অনেকেই বলেছেন এই প্রচারের পিছনে কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে। ভোট পেতেই প্রার্থীরা প্রচারে নামেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে প্রতিশ্রতি দিয়ে থাকেন। ঠিক একইরকম ভাবে লক্ষ্মীভান্ডারের প্রচার করা লক্ষ্মীরও নিশ্চই কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে এমনটাও মনে করছেন অনেকে।
আবার অনেকের মতে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার জন্যই লক্ষ্মীর এই প্রচারের ঘনঘটা। তবে অনেকেই তাদের মতামতে বলেছেন এই প্রচারে রাজনৈতিক স্বার্থ থাকুক বা না থাকুক ভাতা ছাড়া তৃণমূলের আর বলার কিছু নেই। তার কারণ গত ১৫ বছরে উল্লেখযোগ্য কোনও উন্নতি তারা করতেই পারেনি। শিল্প থেকে কর্মসংস্থান সব ক্ষেত্রেই বিফল তারা। সারদা, নারদা থেকে চাকরি চুরি এই সবই তৃণমূলের অবদান এমনটাও বলেছেন অনেকে। তবে রাজনৈতিক স্বার্থ থাকুক বা না থাকুক এইভাবে ঘাটালের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে লক্ষ্মীভান্ডারের প্রচার যে এক অভিনবত্বের উদাহরণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।




















