
কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ( Deputy CEO reshuffle)ততই প্রশাসনিক স্তরে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ রদবদলের ছবি সামনে আসছে। এবার সেই রদবদলের ঢেউ পৌঁছে গেল খোদ নির্বাচন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভারতের নির্বাচন কমিশন হঠাৎ করেই রাজ্যের সিইও দফতরে বড়সড় পরিবর্তন এনে চমক দিল।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যের ডেপুটি সিইও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সুব্রত পালকে। সেই জায়গায় াণ হয়েছে রাহুল নাথকে প্রশাসনিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁকে স্বাস্থ্য দফতরে বদলি করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এই পদচ্যুতির পাশাপাশি দ্রুত নতুন নিয়োগও করেছে কমিশন। সুব্রত পালের জায়গায় নতুন ডেপুটি সিইও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাহুল নাথকে। এর আগে তিনি স্বাস্থ্য দফতরের অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত ছিলেন। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার ভিত্তিতেই তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই আকস্মিক পদক্ষেপকে অনেকেই ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। কারণ, ভোটের আগে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষ রাখার লক্ষ্যে কমিশন যে কোনও ধরনের সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে চাইছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে এই সিদ্ধান্তে। শুধু ডেপুটি সিইও পদেই নয়, জানা গেছে সিইও দফতরের আরও এক আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে একাধিক বদলির ঘটনায় স্পষ্ট, নির্বাচন কমিশন এবার কোনও রকম ঢিলেমি দিতে রাজি নয়।
রাজনৈতিক মহলেও এই রদবদল নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। শাসক দল থেকে বিরোধী সব পক্ষই বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অনেকের মতে, ভোটের আগে প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এর পিছনে আরও গভীর কারণ থাকতে পারে, যা সময়ের সঙ্গে সামনে আসবে।










