“পাশে মোল্লা আছে” শুভেন্দুর মন্তব্যে উত্তপ্ত রাজনীতি, কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে কেন্দ্র করে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ। প্রতিদিনই বিভিন্ন দল একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানাচ্ছে, আর সেই উত্তাপ এবার পৌঁছে গেল ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Bhabanipur RO Controversy

বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে কেন্দ্র করে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ। প্রতিদিনই বিভিন্ন দল একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানাচ্ছে, আর সেই উত্তাপ এবার পৌঁছে গেল নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে রাজ্যে।

নন্দীগ্রামের একটি নির্বাচনী সভায় দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) অভিযোগ তুলেছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, ওই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে নিশানা করেছেন এবং সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করেছেন। এই অভিযোগকে হাতিয়ার করেই তৃণমূল ভারতীয় নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এই চিঠি জমা দেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি নন্দীগ্রামে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!” এই মন্তব্যকে ঘিরেই মূল বিতর্কের সূত্রপাত। তৃণমূলের অভিযোগ, এই বক্তব্য শুধুমাত্র অসংবেদনশীল নয়, বরং এটি সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে করা হয়েছে।

   

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই ধরনের মন্তব্য নির্বাচনী পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলছে এবং ভোটারদের মধ্যে ভয় ও বিভাজন তৈরি করছে। তাঁদের মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এমন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এটি ভোটের নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করতে পারে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য সমাজে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে পারে। ডেরেক ও’ব্রায়েন চিঠিতে আরও উল্লেখ করেছেন যে, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন জনগণের কাছে উন্নয়ন ও নীতির ভিত্তিতে ভোট চাইছে, তখন এ ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণভাবে বিভাজনের রাজনীতি উস্কে দিচ্ছে। তৃণমূলের দাবি, নির্বাচন কমিশনের উচিত দ্রুত এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন মন্তব্য আর না হয়, তা নিশ্চিত করা।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google