কলকাতা: আজ কারগিল দিবস। দেশজুড়ে শহীদদের স্মরণ করা হচ্ছে। (Suvendu)এই দিনে নন্দীগ্রামে অস্থায়ী শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “যাঁরা কারগিলে প্রাণ দিয়েছিলেন, তাঁদের আত্মত্যাগ আজ গোটা দেশ গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছে।” শুভেন্দু অধিকারী এদিন সাংবাদিক নিগ্রহ, প্রশ্ন ফাঁস, আইনশৃঙ্খলা এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য রেখেছেন।
কলকাতায় NEET আন্দোলনকে ঘিরে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সাংবাদিক মহল। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “যারা সাংবাদিকদের পিটিয়েছে, খুনের চেষ্টা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
আরও দেখুনঃ প্রধানমন্ত্রীর নিরলস প্রচেষ্টায় ৪৫ তম বিশ্ব হেরিটেজে নাম লেখাল বুদ্ধের পদ চিহ্নিত সারনাথ
বাক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রত্যেকের আছে, কিন্তু গুণ্ডামি চলবে না।”তিনি আরও জানান, এই প্রথম সাংবাদিকরা নিজেরা মামলা করে এগিয়ে এসেছেন। এতদিন বারবার সাংবাদিকরা আক্রান্ত হলেও অনেক সময় চুপ করে থাকতে বাধ্য হতেন। শুভেন্দু বলেন, “এরা কেউ ছাত্র নয়। এরা জামাতি ও মৌলবাদী শক্তির লোক।” তিনি সাম্প্রতিক বামেদের মিছিল প্রসঙ্গে বলেন, “এটা আসলে বামেদের মিছিল ছিল না।
এটা ছিল সেলফ ডিক্লেয়ার্ড কক্রোচ জনতা পার্টির মিছিল। এই আন্দোলন বিদেশি শক্তির দ্বারা মদতপুষ্ট হতে পারে।”প্রশ্ন ফাঁসের মতো গুরুতর বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নরেন্দ্র মোদী এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। কেন্দ্র কড়া বিল আনছে। শুধু বিল আনা নয়, তা দ্রুত কার্যকর করার জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।
আন্দোলনকারীরা মোদীর উপর আস্থা রাখতে পারেন।”কারগিল দিবসে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের ঘটনাকেও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে অনেক শহীদ হয়েছেন। আজ তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন। দেশের জন্য যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের ত্যাগ আমাদের অনুপ্রাণিত করে।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, আইনের শাসন বজায় রেখে গুণ্ডাদের দমন করা হবে।
আরও দেখুনঃ কুমোরটুলিতে গণেশ প্রতিমার অর্ডারের ঢল, উৎসব মরশুমে আশার আলো শিল্পীদের





