লক্ষ ব্যবধানে হার, ৩৫ লক্ষ নাম বিবেচনায়’, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কল্যাণ

সুপ্রিম কোর্টে “SIR Case” নিয়ে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের ভোট প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও আইনজীবী ...

By Suparna Parui

Published:

Updated:

Follow Us

সুপ্রিম কোর্টে “SIR Case” নিয়ে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের ভোট প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বা সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং একইসঙ্গে নির্বাচনী পিটিশন দাখিলের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

মামলার মূল বিষয়বস্তু ঘিরে রয়েছে ভোটার তালিকার Special Intensive Revision (SIR) প্রক্রিয়া। অভিযোগ ও দাবি অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটতে পারে, যা সরাসরি নির্বাচনের ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলতে সক্ষম। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি, যদি ভোটার তালিকা সংশোধন বা পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা স্বচ্ছতার অভাব থাকে, তাহলে তা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ভিত্তিকেই প্রভাবিত করতে পারে।

   

আদালতে তিনি দাবি করেন, “৩২ লক্ষ ভোট ব্যবধান” এবং “৩৫ লক্ষ নাম বিবেচনাধীন” থাকার মতো তথ্য নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। তাঁর মতে, এই ধরনের পরিসংখ্যান যদি বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে ভোট প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে বিচার প্রয়োজন। তাই তিনি সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেন যাতে তাঁকে নির্বাচনী পিটিশন দাখিলের অনুমতি দেওয়া হয় এবং বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ বিচার হয়।

এই মামলায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে জানা গেছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় কীভাবে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, SIR প্রক্রিয়া সাধারণত ভোটার তালিকাকে নির্ভুল ও হালনাগাদ করার জন্য করা হয়, তবে এর বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়।

সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্তি দেন যে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হল সঠিক ও নির্ভরযোগ্য ভোটার তালিকা। যদি সেই তালিকাতেই অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। তাই তিনি আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন যাতে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত ও পর্যালোচনা করা যায়।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google