আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। ঘটনার প্রায় এক বছর পরও এই বহুচর্চিত মামলার একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। সেই কারণেই তদন্তকারী সংস্থা পুরনো তথ্য ও প্রমাণ খতিয়ে দেখে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করেছে। তদন্তের অংশ হিসেবে বুধবার পানিহাটি শ্মশানে পৌঁছয় সিবিআইয়ের একটি বিশেষ দল।
নির্যাতিতার বাবা-মা শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছেন যে তাঁদের মেয়ের দেহ অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে পানিহাটি শ্মশানে দাহ করা হয়েছিল। তাঁদের দাবি, মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই দেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তের স্বার্থে সেই অভিযোগগুলিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সিবিআই। বুধবার সকালে সিবিআইয়ের একটি দল পানিহাটি শ্মশানে গিয়ে বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা শ্মশান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেদিনের দাহ-সংক্রান্ত রেকর্ড, প্রবেশ ও নির্গমন সংক্রান্ত তথ্য, উপস্থিত কর্মীদের ভূমিকা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি খতিয়ে দেখেন। এছাড়াও, ওই সময় দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মচারীর বয়ানও রেকর্ড করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
তদন্তকারী সংস্থার মূল লক্ষ্য হল, নির্যাতিতার দেহ শ্মশানে পৌঁছনোর পর কী কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল এবং সেই প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা যাচাই করা। বিশেষ করে দেহ হস্তান্তর, দাহের সময়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়গুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, সমস্ত নিয়ম মেনে কাজ হয়েছিল কি না এবং কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখা হয়েছিল কি না।



