নির্বাচন কমিশনের নিয়ম ও রাজনৈতিক প্রতিনিধি দল (Sougata Ray) সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। সম্প্রতি একাধিক রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের নেতা। তাঁদের দাবি, কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র অথোরাইজড প্রতিনিধিরাই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বা বৈঠকের জন্য আবেদন জানাতে পারেন। (Sougata Ray)
এই প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনের সঙ্গে দেখা করার আবেদন করেননি। সেই অবস্থায় একটি ভিন্ন গোষ্ঠীর প্রতিনিধি দল কীভাবে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য, যদি দলীয়ভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধি না থাকে, তাহলে যে কেউ কি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারে? এই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।
এছাড়াও এই ধরনের ঘটনার কোনও নজির আগে ছিল কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, একজন বহিষ্কৃত ব্যক্তির নেতৃত্বে দলীয় বিভাজনের দাবিতে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করা কতটা সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাঁদের বক্তব্য, দল ভাঙার উদ্দেশ্যে একটি সংগঠিত প্রতিনিধিদল কীভাবে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে, সেটিও খতিয়ে দেখা উচিত।
এই প্রসঙ্গে সৌগত রায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ভূমিকা নিয়েও কড়া মন্তব্য করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিরোধী দলগুলিকে দুর্বল করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি, তবুও রাজনৈতিক বক্তব্যে তা উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গও তোলা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ অপব্যবহার হচ্ছে এবং সেই অর্থ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।
অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে যে রাজনৈতিক আক্রমণের অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেটিও এই বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাঁর উপর বিভিন্ন ধরনের আক্রমণ হয়েছে এবং স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হলেও তা মঞ্জুর করা হয়নি। এই প্রসঙ্গে সৌগত রায়(Sougata Ray) জানান, তাঁরা স্পিকারের প্রতিনিধির কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন।
তাঁদের আরও(Sougata Ray) দাবি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় যাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন না। যদি কোনও বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে তা গণতান্ত্রিক কাঠামোর পরিপন্থী বলে মনে করা হবে। এই বিষয়েও স্পষ্টীকরণের দাবি জানানো হয়েছে।


