কলকাতা: রাজ্যজুড়ে (West Bengal Weather Update) ইতিমধ্যে ২০২৬ সালের গরমের আগাম ইঙ্গিত মিলছে৷ জানুয়ারির শেষেই রাতের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে, যা শীতের প্রভাব ক্রমেই কমে আসার প্রমাণ দিচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে রাত এবং ভোরের ঠান্ডা প্রায় অদৃশ্য হয়ে যাবে। মার্চে তাপমাত্রা বাড়বে দ্রুত এবং এপ্রিল মাসে তাপপ্রবাহের দাপট রাজ্যবাসীকে চরম কষ্ট দিতে পারে। এবছর রেকর্ড গরমের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷
চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার রাতে পারদ ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার তা বেড়ে হয় ১৬.৮ এবং বৃহস্পতিবার রাতে পৌঁছায় ১৭.৯ ডিগ্রি। মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় রাতের পারদ প্রায় ৩ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনের তাপমাত্রাও ক্রমশ উর্ধ্বমুখী। জানুয়ারির শেষেই কলকাতার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্পর্শ করেছে ২৭ ডিগ্রি। ফলে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে দিনের পারদ ৩২–৩৪ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে। মার্চে কোনও কোনও দিনে তাপমাত্রা ৩৮–৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত ছুঁয়ে যেতে পারে।
২০২৬ সাল একটি উষ্ণ বছর হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা৷ শুক্রবার এবং শনিবার উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে দৃশ্যমানতা নেমে আসতে পারে মাত্র ৫০ মিটার পর্যন্ত। এর ফলে পাহাড়ি রাস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। শনিবার দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ঘন কুয়াশার সতর্কতা বহাল থাকবে।
দক্ষিণবঙ্গে শীতের প্রভাব অনেকটাই কমে এসেছে। রবিবারের মধ্যে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে সেই ঠান্ডা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। আগামী সপ্তাহে ফের পারদ ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে পূর্বাভাস। দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অথবা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকবে।




















