ভোটের ফল নিয়ে ২০ দিন পর ফেসবুক লাইভে এসে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই কার্যত জনসমক্ষে খুব একটা দেখা যায়নি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) । শুধুমাত্র একটি সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন তিনি। এরপর ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
mamata-banerjee-tribal-fund-allegation-sabooj-sathi

৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই কার্যত জনসমক্ষে খুব একটা দেখা যায়নি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) । শুধুমাত্র একটি সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন তিনি। এরপর দীর্ঘ ২০ দিনের নীরবতার পর শনিবার, ২৪ মে, ফেসবুক লাইভে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মমতা। ভোটের ফলাফল থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, ইভিএম, বিজেপির রাজনৈতিক আচরণ একাধিক ইস্যুতে সরব হলেন তিনি।

ফেসবুক লাইভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ২২০ থেকে ২৩০টি আসন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে “পাশা উল্টে দেওয়া হয়েছে” বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “মানুষ আমাদের পাশে ছিল। আমরা যেভাবে মানুষের সমর্থন পেয়েছি, তাতে আরও বেশি আসন পাওয়ার কথা ছিল।”

   

এদিন নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, “এটা কি সত্যি নির্বাচন হয়েছে? নাকি একটা প্রহসন হয়েছে?” জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ডেটা হ্যাকিংয়ের অভিযোগও তোলেন তিনি। যদিও তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ তিনি প্রকাশ্যে দেননি, তবুও তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, বাংলার মানুষ বর্তমানে ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। কেউ চাকরি নিয়ে উদ্বিগ্ন, কেউ ব্যবসা নিয়ে চিন্তিত। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সরকার এমন পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি বলেন, “এইভাবে কোনও রাজ্য চলতে পারে না। মানুষ ভয় পাচ্ছে। কেউ ভাবছে চাকরি থাকবে কি না, কেউ ভাবছে ব্যবসা টিকবে কি না।”

ইভিএম প্রসঙ্গেও সরব হন মমতা। তিনি জানান, তাঁদের দল ইভিএম মেশিনের রিপোর্ট চায়। ভোট গণনা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, “উপরওয়ালা সব দেখছে। বাংলাকে লুঠ করা হয়েছে। কিন্তু এই অন্যায়ের জবাব মানুষ দেবে। আপনার দিল্লিও একদিন চলে যাবে।”

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google