কলকাতা: বাংলায় এসে বাঙালির মন জোগাতে অনেক সময়েই বাংলায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (Kunal Ghosh)যেমনটা গতকাল ও বলেছিলেন। এতেই রাজনৈতিক মহলের পারদ ফের উর্ধমুখী। বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুনাল ঘোষ প্রচারে বেরিয়ে কড়া সমালোচনায় ভরিয়ে দিলেন মোদীকে। তিনি বলেন “বাংলা বলতে না পারলে সীমা ছাড়াবেন না!” তিনি অভিযোগ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী বাংলার মাতৃভাষাকে অপমান করছেন এবং বাংলার আত্মমর্যাদায় আঘাত করছেন।
কুণাল ঘোষ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী মাতৃভাষায় কথা বলতে জানেন না। যদি তিনি হিন্দিতেও সঠিকভাবে ভাষণ দিতে না পারেন, তাহলে তাঁর কথার কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বাংলাকে অপমান করছেন। সম্পূর্ণভাবে বাংলা ভাষাকে অপমান করছেন। এটা ঠিক নয়। তিনি সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।” তাঁর এই মন্তব্য রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আরও দেখুনঃ বায়ুসেনার শক্তি বৃদ্ধি, ৪০০টি অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা
ঘটনার পটভূমিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি। প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে বিজেপির হয়ে প্রচার চালিয়েছেন। সেইসব ভাষণে তিনি বাংলার সংস্কৃতি, ভাষা ও আত্মমর্যাদার (অস্মিতা) কথা বললেও, কুণাল ঘোষের অভিযোগ, বাস্তবে তিনি বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান দিচ্ছেন না। কুণাল বলেন, “যিনি নিজের মাতৃভাষায় সঠিকভাবে কথা বলতে পারেন না, তিনি কীভাবে বাংলার মানুষের অনুভূতি বুঝবেন?
বাংলা ভাষা শুধু একটা ভাষা নয়, এটা আমাদের আবেগ, আমাদের পরিচয়।”তৃণমূল নেতা আরও অভিযোগ করেন যে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে বাংলা ভাষাভাষীদের অপমান করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দিল্লি পুলিশের কোনো একটি চিঠিতে বাংলা ভাষাকে ‘বাংলাদেশি ভাষা’ বলে অভিহিত করার ঘটনা এবং অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলাভাষীদের নিয়ে কটূক্তি। কুণাল ঘোষের কথায়, “এটা শুধু ভাষার লড়াই নয়, এটা বাংলার অস্তিত্বের লড়াই। মোদীজি যদি বাংলার মাটিতে এসে বাংলার মানুষের কাছে ভোট চান, তাহলে বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতিকে সম্মান করতে হবে। না হলে বাঙালি জনতা তা মেনে নেবে না।”




















