লক্ষ্য ছিল কলকাতায় হামলা! ঢাকা থেকে গ্রেফতার বোমা বানানো NCP নেতা সাব্বির

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজধানীতে একটি ভয়ংকর জঙ্গি পরিকল্পনা ব্যর্থ বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে (Sabbir)। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-র ছাত্র সংগঠনের এক নেতা সাব্বিরকে বোমা তৈরির সময়…

ncp-sabbir-arrest

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজধানীতে একটি ভয়ংকর জঙ্গি পরিকল্পনা ব্যর্থ বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে (Sabbir)। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-র ছাত্র সংগঠনের এক নেতা সাব্বিরকে বোমা তৈরির সময় হাতেনাতে ধরেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকারোক্তি দিয়েছে ভারতে হিন্দুদের উপর গ্যাস হামলা এবং একটি শহরে বোমা হামলার পরিকল্পনা করছিল সে। পুলিশ সন্দেহ করছে, সম্ভাব্য লক্ষ্য ছিল কলকাতা।

ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার একটি আস্তানায়। পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে আটক করে। তার ঘর থেকে বোমা তৈরির উপকরণ, রাসায়নিক পদার্থ এবং কিছু সন্দেহজনক ডকুমেন্ট উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাব্বির এনসিপি-র ছাত্র শাখার একজন সক্রিয় নেতা। তার সঙ্গে জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগাযোগ থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে।

আরও দেখুনঃ বাংলাদেশে হিন্দু হত্যা অব্যাহত! খুলনায় ইসলামপন্থীদের হাতে গলা কেটে খুন হিন্দু রিকশা চালক

জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির পুলিশকে বলেছে, সে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর লক্ষ্য করে গ্যাস হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এছাড়া একটি বড় শহরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করার পরিকল্পনা ছিল। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, তার কথায় কলকাতার নাম উঠে এসেছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় এই তথ্য গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে দুই দেশের নিরাপত্তা সংস্থা।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।এই গ্রেফতারের ঘটনা বাংলাদেশে নতুন করে জঙ্গি তৎপরতার আশঙ্কা জাগিয়েছে। দেশটিতে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ছাত্র-যুব সংগঠন সক্রিয় হলেও, তাদের মধ্যে কেউ কেউ চরমপন্থী পথে চলে যাচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এনসিপি নেতৃত্ব অবশ্য এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

আরও দেখুনঃ শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে ১২৫ ফুটের মূর্তি উন্মোচনে কলকাতায় অমিত শাহ

দলের একাংশ দাবি করছে, সাব্বির হয়তো ব্যক্তিগতভাবে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত, দলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে চরমপন্থী উপাদান ঢুকে পড়লে তা ভবিষ্যতে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।বাংলাদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এই মামলার তদন্তভার নিয়েছে।