রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর সরকারি চিকিৎসকদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি নতুন করে সামনে এসেছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর থেকেই চিকিৎসক সমাজের মধ্যে নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং কর্মপরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই সরকারি চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন নতুন সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি তুলে ধরেছে। চিকিৎসকদের বক্তব্য, স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও জনমুখী করতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে অ্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিস ডক্টর্স, সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম-সহ একাধিক সংগঠন ১২ থেকে ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে। এই দাবির মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ–খুনের ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার। চিকিৎসকদের দাবি, শুধু তদন্ত শুরু করলেই হবে না, দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। তাঁদের মতে, অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না হলে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা আরও বাড়বে।
চিকিৎসক সংগঠনগুলির বক্তব্য, বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলিতে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। রাতের ডিউটি, জরুরি বিভাগ বা গ্রামীণ হাসপাতালগুলিতে কর্মরত চিকিৎসকদের অনেক সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছাড়া কাজ করতে হয়। তাই হাসপাতাল চত্বরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ, সিসিটিভি নজরদারি বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপের মতো ব্যবস্থার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি, মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রটোকল চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।




















