HomeKolkata Cityবাংলাদেশের সাংসদ খুন কলকাতায়

বাংলাদেশের সাংসদ খুন কলকাতায়

ভোটের মুখে খাস কলকাতায় বড় ঘটনা ঘটে গেল। খুন হয়ে গেলেন বিদেশী সাংসদ। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল কলকাতার নিউটাউন (Newtown) এলাকায়। মৃতের নাম আনোয়ার উল আজিম (Anwarul Ul Azim) তিনি বাংলাদেশের সাংসদ বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন আনোয়ার উল আজিম। এরপর থেকে আর তাঁর খোঁজ মেলে না। ফোন করলেও বারবার রিং হয়ে কেটে যায়। গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসে উত্তরের বরানগরে বন্ধুর বাড়িতে ছিলেন তিনি। ১৩ মে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি। খোঁজ না মেলায় পরিবার নড়েচড়ে বসে। সাংসদের মেয়ে ডাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে অভিযোগ জানান। যেন কর্পুরের মতো উবে গিয়েছিলেন সাংসদ। এদিকে সাংসদের আচমকা এহেন নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশের সরকার থেকে শুরু করে সাংসদের পরিবার চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাতে শুরু করেন।

   

পুলিশ সূত্রে খবর, সাংসদের শেষ মোবাইল লোকেশন মিলেছিল বিহারে। গত ১৪ মে থেকে তার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, গত আট দিন ধরে নিখোঁজ থাকলেও তার ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে মেসেজ পাঠানো হয় যে সে নয়াদিল্লি চলে গেছে। এদিকে সাংসদকে খুঁজে বের করতে যে ভারত এবং বাংলাদেশ যৌথভাবে কাজ করছে সে ব্যাপারে স্পষ্ট বার্তা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যাইহোক, এরপর জানা যায়, বাংলাদেশের এই সংসদ সদস্য ১৩ মে নিউটাউনের একটি বাড়িতে যান, সেই বাড়িতেই খুন করা হয় খুলনার ঝিনাইদহ -৪ আসনের এমপি আনোয়ার উল আজিমকে বলে খবর।

পুলিশের দাবি, নিউটাউনে যে বাড়িতে তিনি গিয়েছিলেন সেটা নাকি একজন এক্সাইজ অফিসারের। আধিকারিকদের অনুমান, ভাড়া নেওয়া বাড়িতে ডেকে এনে খুন করা হয়েছে সাংসদকে। খুনের দিন এই বাড়িতে নাকি মহিলা সহ একাধিক লোকজন ছিলেন। কিন্তু সাংসদের রহস্যজনক মৃত্যুর পর সবাই নাকি ভারত থেকে পালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ।

Kolkata24x7 Team
Kolkata24x7 Teamhttps://kolkata24x7.in
আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

এই সংক্রান্ত আরও খবরর

এই বিভাগের আরও খবর