হাতে মাত্র চার দিন, তারপরই (West Bengal Election 2026) রাজ্যজুড়ে শুরু হতে চলেছে প্রথম দফার ভোট। তার আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে পশ্চিম মেদিনীপুর ও জঙ্গলমহল সংলগ্ন এলাকায়।
রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুলতে আজ ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে এক বিশাল জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই জনসভাকে কেন্দ্র (West Bengal Election 2026) করে ইতিমধ্যেই গোটা শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তার চাদর বিছানো হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (SPG), কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের বিশাল টিম। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, জনসভার সময় যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
এই জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং ভোটের আগে জঙ্গলমহলের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। জানা গেছে, জঙ্গলমহল ও তার সংলগ্ন এলাকার মোট ৯ জন প্রার্থীর সমর্থনে আজ বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষণে উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন এই বিষয়গুলিই বিশেষভাবে উঠে আসতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। অন্যদিকে, ভোটের ময়দানে সমান তৎপরতা দেখাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসও। একই দিনে মন্তেশ্বরে এক বিশাল জনসভা করতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বর্ধমান শহরে তাঁর একটি রোড শো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই দুই কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই জোরদার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে তৃণমূল শিবিরে।
একই সঙ্গে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং সংগঠনকে আরও সুসংহত করার বিষয়ে কী বার্তা দেন মমতা, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভোটের আগে দলকে একসূত্রে বাঁধতে তিনি কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর দলীয় ঐক্য বজায় রাখা এখন তৃণমূলের বড় চ্যালেঞ্জ।




















