নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে গোপন তথ্য এসেছে যে, (Ujjwala)প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় দেওয়া ভর্তুকিযুক্ত এলপিজি সিলিন্ডারগুলো অপব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলো বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অথবা অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এই অপব্যবহার রোধ করতে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, প্রতি বছর প্রতি সিলিন্ডারের ভর্তুকি ২,৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে ১,২০০ টাকা করা হবে।
এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। অনেকে বলছেন, এতে নিম্নবিত্ত পরিবারের রান্নার খরচ বেড়ে যাবে।প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা চালু হয়েছিল গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র মহিলাদের এলপিজি সংযোগ দেওয়ার জন্য। লক্ষ লক্ষ পরিবার এই সুবিধা পেয়েছে। কিন্তু সরকারের কাছে খবর এসেছে যে, কিছু অসাধু ব্যক্তি এই সিলিন্ডারগুলো বাণিজ্যিক হোটেল, রেস্তোরাঁ বা অন্যান্য ব্যবসায় ব্যবহার করছে।
আরও দেখুনঃ অমুসলিম ব্যাক্তির সঙ্গে মুসলিম বিবাহে এবার লাগবে ওয়াকফ বোর্ডের ছাড়পত্র! সিদ্ধান্ত গেরুয়া রাজ্যে
কেউ কেউ অবৈধভাবে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে। এতে সরকারের ভর্তুকির টাকা অপচয় হচ্ছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই অপব্যবহার রোধ করতে ভর্তুকি কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন প্রতি বছর প্রতি সংযোগের জন্য ১,২০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে।
অনেকেই এই সিদ্ধান্তের পর মন্তব্য করেছেন সরকারের উচিত ছিল অপব্যবহারকারীদের ধরা, সাধারণ মানুষের ভর্তুকি কমানো নয়। তবে সরকারের যুক্তি, এই পদক্ষেপ সামগ্রিকভাবে ভর্তুকির বোঝা কমাবে এবং সঠিক উপভোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছাবে।কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উজ্জ্বলা যোজনায় লক্ষ লক্ষ সিলিন্ডার বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু জায়গায় দেখা গেছে, একই পরিবারে একাধিক সংযোগ নিয়ে অপব্যবহার করা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ ভারতের নতুন রিফাইনারির স্টিল দিয়ে তৈরী হতে পারে ৪০টি আইফেল টাওয়ার! ঘোষণা মোদীর
বাণিজ্যিক ব্যবহার রোধ করতে এখন ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। সিলিন্ডারের ব্যবহার মনিটর করা হবে। যারা অপব্যবহার করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই সিদ্ধান্তের পেছনে সরকারের লক্ষ্য হলো ভর্তুকির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।
গত কয়েক বছরে উজ্জ্বলা যোজনায় বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। কিন্তু কিছু অংশ অপচয় হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকার বলছে, নতুন নিয়মে সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি হবে না। যারা সত্যিকারের প্রয়োজনে এলপিজি ব্যবহার করেন, তাদের সুবিধা অব্যাহত থাকবে। শুধু অপব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আরও দেখুনঃ কাশ্মীর এনকাউন্টার: ৪ দিনের অভিযানের পর খতম লস্কর কমান্ডার জাকির গনাই





