‘সুযোগ পেলে প্রধানমন্ত্রীকে গুলি করে মারতাম!’ রাজধানীতে সীমা ছাড়াল আরশোলারা

নয়াদিল্লি: রাজধানীর রাজপথে চলছে আরশোলাদের দৌরাত্ম। (PM Modi)ককরোচ জনতা পার্টির তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনে ফের একবার চাঞ্চল্য। একজন প্রতিবাদকারী প্রকাশ্যে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে গুলি করে…

threat-against-pm-modi-delhi-protest

নয়াদিল্লি: রাজধানীর রাজপথে চলছে আরশোলাদের দৌরাত্ম। (PM Modi)ককরোচ জনতা পার্টির তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনে ফের একবার চাঞ্চল্য। একজন প্রতিবাদকারী প্রকাশ্যে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে গুলি করে হত্যা করা উচিত। জনৈক প্রতিবাদকারী আরও বলেন এই দায়িত্ব যদি তাকে দেওয়া হত তবে তা তিনি সানন্দে পালন করতেন।

নিজেকে ‘শান্তিপ্রিয় প্রতিবাদী বলে পরিচয় দেওয়া এই মহিলা একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে ‘স্বৈরাচারী’ বলে উল্লেখ করেছেন। অথচ এমন গুরুতর হুমকি দেওয়ার পরেও তিনি এখনও অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এই দৃশ্য দেখে দেশের অনেক নাগরিকের মনে প্রশ্ন জেগেছে, সত্যিই কি এটাই ‘শান্তিপূর্ণ’ প্রতিবাদ?

Advertisements

আরও দেখুনঃ মোদীসরকারের আমলে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি ১.৪২ লক্ষ কোটির ! বাদল অধিবেশনে তুলকালাম সংসদ

বিশেষ করে বাংলাদেশের জামাতের মত চরমপন্থী সংগঠনের এই আন্দোলনে সমর্থনের পর থেকেই এই তথাকথিত আন্দোলন নিয়ে ক্ষোভ বেড়েছে রাজনৈতিক এবং সামাজিক মহলে। এছাড়াও সোনম ওয়াংচুক এবং শাবানা আজমির মত বিদেশি অর্থায়ন পাওয়া ব্যাক্তির এই আন্দোলনে জুড়ে থাকা এই আন্দোলনের আসল মুখোশ খুলে দিয়েছে।

সিজেপি আন্দোলন শুরু হয়েছিল শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেকারত্ব নিয়ে। জনতার মধ্যে ক্ষোভ ছিল, প্রতিবাদও ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক এবং কূটনীতিক মহলের একাংশের মতে একটি আন্দোলন যখন ব্যক্তিগত হত্যার হুমকিতে পরিণত হয়, তখন সেটা আর গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ থাকে না।

এটা হয়ে যায় আইনশৃঙ্খলার সরাসরি চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার আহ্বান শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, গোটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। এমন কথা বলার সাহস কোথা থেকে আসে? আর বলার পরেও কেন কোনো তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না?

আরও দেখুনঃ আরশোলার দৌরাত্বে কেন এত আগ্রহ? ডিপ স্টেটের বিদেশি অর্থায়নের টাকা পাওয়া শাবানার চক্রান্ত ফাঁস

দিল্লির যন্তরমন্তরে এলাকায় চলা এই প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি, লাঠিচার্জের ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিবাদকারীরা নিজেদের ‘শান্তিপ্রিয়’ বলে দাবি করলেও, ভিডিওতে দেখা গেছে উত্তেজিত পরিস্থিতি। আর তার মধ্যেই একজনের মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে এমন ভয়ংকর হুমকি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও দেখে অনেকে বলছেন, এটা আর কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয় এটা বিষাক্ত ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ। যারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বৈরাচারী বলে গাল দেন, তাঁরাই আবার গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে ছেলেখেলা করছেন।

আরও দেখুনঃ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল গান্ধীকে আটক করল পুলিশ