অন্ধ্রে বিনিয়োগ স্থানান্তর নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া নায়ডুর

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু(Chandrababu Naidu) রবিবার সাম্প্রতিক বিনিয়োগ স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তাকে “স্বাস্থ্যকর ফেডারেল কাঠামোর লক্ষণ” বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
naidu-defends-policy-shift-amid-rising-questions

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু(Chandrababu Naidu) রবিবার সাম্প্রতিক বিনিয়োগ স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তাকে “স্বাস্থ্যকর ফেডারেল কাঠামোর লক্ষণ” বলে উল্লেখ করেছেন।

তাঁর মতে, ভারতের মতো বৃহৎ ও বহুমাত্রিক অর্থনীতিতে দ্রুত উন্নয়ন ঘটাতে হলে রাজ্যগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকা জরুরি, আর এই প্রতিযোগিতা থেকেই নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হয়। নায়ডু বলেন, “আজ প্রতিটি রাজ্য উন্নয়নের জন্য দৌড়াচ্ছে। কে বেশি বিনিয়োগ আনতে পারবে, কে শিল্পকে ভালো পরিবেশ দিতে পারবে—এই প্রতিযোগিতাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। রাজ্যগুলিকে একে অপরকে চাপ দিতে হবে। চাপ না থাকলে পরিবর্তনও আসে না।”

   

তিনি বলেন, “বিনিয়োগকারীরা সবসময় সেরা পরিবেশ খোঁজেন। যেখানে অবকাঠামো ভাল, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আছে, দ্রুত অনুমোদন পাওয়া যায়—সেখানে তারা যেতে চাইবেনই। অন্ধ্রপ্রদেশ সেই পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে বলে সংস্থাগুলো এখানে আসছে। এতে অন্য কেউ বিরক্ত হতে পারে, কিন্তু এটিই স্বাভাবিক। উন্নয়নে এগোতে গেলে প্রতিযোগিতাই মূল।” নায়ডু আরও বলেন যে এই প্রতিযোগিতামূলক পরিকাঠামো গড়ে ওঠার পেছনে কেন্দ্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীতি—বিশেষ করে স্থিতিশীলতা, ক্লিন গভর্নেন্স এবং একাধিক বড় সংস্কার—রাজ্যগুলোর মধ্যে উন্নয়নের প্রতিযোগিতা বাড়াতে বড় ভূমিকা নিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে নায়ডু বোঝাতে চাইলেন যে বিনিয়োগ স্থানান্তর কোনও ‘রাজনৈতিক ছিনতাই’ নয়, বরং শিল্পের স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। সংস্থাগুলো তাদের সুবিধার স্থানেই যেতে চাইছে। অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, বিশেষ করে বিশাখাপত্তনম-আমরাবতী শিল্পাঞ্চল জোনের উন্নয়ন, অবকাঠামো, পরিবহন সংযোগ, বন্দর সুবিধা ও দক্ষ মানবসম্পদ—এসবই বিনিয়োগকারীদের আকর্ষিত করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্বাস, এই প্রতিযোগিতাই দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করে তুলবে এবং শেষ পর্যন্ত উপকার পাবে জনগণই।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google