যোগী রাজ্যে মাদ্রাসা খুলে ওষুধের নাম করে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ! গ্রেফতার মৌলানা হিফজুর

মুজাফফরনগর: উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরে (Muzaffarnagar)ফের এক মাদ্রাসা ঘিরে উঠল গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ একটি মাদ্রাসা চালিয়ে অবৈধভাবে জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের মত গুরুতর অপরাধ করে চলেছেন…

muzaffarnagar-maulana-arrest

মুজাফফরনগর: উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরে (Muzaffarnagar)ফের এক মাদ্রাসা ঘিরে উঠল গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ একটি মাদ্রাসা চালিয়ে অবৈধভাবে জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের মত গুরুতর অপরাধ করে চলেছেন মৌলানা হিফজুর রহমান। অভিযোগকারীরা বলছেন, তিনি দারুল উলুম রহিমিয়া মাদ্রাসার নামে অবৈধভাবে দখল করা জমিতে প্রতিষ্ঠান চালাতেন।

তার বিরুদ্ধে হিন্দু নারীদের ধর্মান্তরিত করা, ধর্ষণ এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের মতো অভিযোগ উঠেছে। যশবীর মহারাজ এই ঘটনা প্রকাশ্যে আনার পর এখন মৌলানার পুত্রবধূ সংবাদ মাধ্যমে মুখ খুলেছেন।মৌলানার পুত্রবধূর দাবি, মাওলানা হিফজুর রহমান শুধু মাদ্রাসা চালাতেন না, একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধের দোকানও চালাতেন।

আরও দেখুনঃ ফের ভারতে নাশকতার ছক বানচাল! সাব্বিরের পর যশোরে গ্রেফতার তাহসিন

সেখানে তিনি ওষুধের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে হিন্দু নারীদের অচেতন করে ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিও ধারণ করে পরে ব্ল্যাকমেল করা হতো। এরপর তাদের ধর্মান্তরিত করে মুসলিম যুবকদের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হতো। পুত্রবধূ আরও জানান, এই কাজে তার সঙ্গে একটি বড় গ্যাং জড়িত। মহম্মদ জুবেইর , জুনায়েদ, মুজাম্মিল, ইমরান ও সাদ্দামসহ একাধিক ব্যক্তি এই চক্রের সদস্য।

যশবীর মহারাজ এই ঘটনা প্রকাশ করার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ এখন মাওলানা হিফজুর রহমানের খোঁজ করছে। তার বিরুদ্ধে অবৈধ জমি দখল, ধর্ষণ, ধর্মান্তরকরণ এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং শিগগিরই তাকে গ্রেফতার করা হবে।এলাকার বাসিন্দারা এই অভিযোগে ক্ষুব্ধ। অনেকেই বলছেন, মাদ্রাসার আড়ালে এমন অন্ধকার কার্যকলাপ চলছিল তা কল্পনার বাইরে।

আরও দেখুনঃ বাংলাদেশে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখান হল জম্মু-কাশ্মীর! প্রতিবাদ হাইকমিশনের সেক্রেটারির

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা ভাবতাম ধর্মীয় শিক্ষার জন্য মাদ্রাসা চলছে। কিন্তু ভেতরে এসব চলছিল। এখন সবকিছু খুলে বের করতে হবে।” যশবীর মহারাজের অভিযোগের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা ভাইরাল হয়েছে। অনেকে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।মৌলানার পুত্রবধূর সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে ভয়ংকর বিবরণ। তিনি বলেছেন, অনেক হিন্দু মহিলা এই চক্রের শিকার হয়েছেন।

তাদের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হতো, ধর্ষণ করা হতো এবং ভিডিও করে ভয় দেখানো হতো। পরে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে বিয়ে দেওয়া হতো। এই চক্রের সদস্যরা এলাকায় প্রভাবশালী বলে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতেন না।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসাটি অবৈধভাবে দখল করা জমিতে গড়ে তোলা হয়েছিল। সেখান থেকে বিভিন্ন প্রমাণ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আয়ুর্বেদিক দোকানটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগগুলো যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও দেখুনঃ পাকিস্তানকে ছুড়ে ফেলে যৌথ বৈঠকে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে মাইলফলক আফগানিস্তানের