যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই আজ সন্ধ্যায় হাই ভোল্টেজ বৈঠকে মোদী!

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্বজুড়ে ঘনীভূত জ্বালানি সঙ্কটের মাঝেই দেশের অর্থনীতি সুরক্ষিত রাখতে তৎপর কেন্দ্র। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বুধবার সন্ধে ৭টায় ক্যাবিনেট কমিটি…

Modi CCS Meeting Energy Security

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্বজুড়ে ঘনীভূত জ্বালানি সঙ্কটের মাঝেই দেশের অর্থনীতি সুরক্ষিত রাখতে তৎপর কেন্দ্র। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বুধবার সন্ধে ৭টায় ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি-র এক বিশেষ বর্ধিত বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর এই যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব খতিয়ে দেখাই এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের মূল লক্ষ্য।

এর আগে গত ২২ মার্চ সিসিএস-এর বৈঠকে দেশে খাদ্য, সার, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের জোগান স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পাশাপাশি আজকের বৈঠকেও কৃষি, বাণিজ্য, রেল ও পেট্রোলিয়াম সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের শীর্ষ মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকার কথা।

Advertisements

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলার পর থেকেই কার্যত বারুদস্তূপে পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য। গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া। তবে গত ৩১ মার্চ গুজরাটের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদী জোর দিয়ে জানান, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট চললেও, সফল বিদেশনীতি এবং দেশবাসীর একতার জেরে ভারত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এর পাশাপাশি কংগ্রেস অহেতুক আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে, এই যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির কারণে এক প্রবল ‘আর্থিক ভূমিকম্পের’ সতর্কতা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এই রাজনৈতিক তরজার মাঝেই, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন জোগান বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রীর আজকের এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।