ভারতীয় বিমান বাহিনীর সুখোই যুদ্ধবিমানের (Sukhoi Fighter Jets) জন্য দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োজন। বিমান বাহিনী বিদেশি দেশগুলোর ওপর নির্ভরতা কমাতে কাজ করছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে বিদেশি দেশগুলোর ওপর নির্ভরতা কমানো এবং অস্ত্র ও প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের প্রচেষ্টা চলছে। বিমান বাহিনী দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের কাছে তাদের চাহিদা প্রকাশ করেছে এবং সুখোইয়ের জন্য দেশীয় মিসাইল লঞ্চার ও মিসাইল তৈরিতে অংশীদার হতে বলেছে।
বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতা রোডম্যাপ
বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতা রোডম্যাপ সুখোইয়ের জন্য আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল লঞ্চার ও মিসাইল দেশীয়করণের উপর আলোকপাত করে। মিশনের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণের আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র মোতায়েনের সক্ষমতাসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি রাশিয়া থেকে ক্রয় করা হয়েছিল।
ঘন ঘন লঞ্চার প্রতিস্থাপনের কারণে কার্যক্রমে বিলম্ব ঘটে
বর্তমানে, সুখোই অস্ত্র বা অন্যান্য সরঞ্জাম স্থাপনের জন্য OEM (অরিজিনাল ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার) সরবরাহকৃত লঞ্চার/অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে। মিশনের প্রয়োজন অনুযায়ী লঞ্চার ঘন ঘন পরিবর্তন করতে হয়, যার ফলে কার্যক্রমে বিলম্ব ঘটে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য, এখন এমন একটি অভিন্ন লঞ্চার তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে যা লঞ্চার পরিবর্তন না করেই বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ দেবে।
ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের উপর জোর
- বিমানবাহিনীর কর্মপরিকল্পনায় দেশীয়ভাবে উৎক্ষেপক যন্ত্র তৈরিসহ আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
- আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতের পরবর্তী প্রজন্মের আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য নির্ভুলভাবে পরিচালিত যুদ্ধাস্ত্র সিরিজের একটি অংশ।
- এই অস্ত্রটি দূর থেকে শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে ধ্বংস করতে সক্ষম।
- সুখোই-এর সংস্কারের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ৮৪টি সুখোই যুদ্ধবিমানের অ্যাভিওনিক্স, রাডার এবং ইঞ্জিন উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- এছাড়াও, ১২টি নতুন সুখোই জেট কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিমানবাহিনীর সুখোই-৩০ হলো একমাত্র যুদ্ধবিমান যা ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বহন ও নিক্ষেপ করতে সক্ষম।




















