ICGS Akshay: সামুদ্রিক নিরাপত্তা সক্ষমতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে, ভারতীয় কোস্ট গার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রজন্মের ‘ফাস্ট পেট্রোল ভেসেল’ (FPV) বা দ্রুতগামী টহল জাহাজ ‘আইসিজিএস অক্ষয়’ (ইয়ার্ড ১২৭৩)-কে পরিষেবায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। গোয়ার ভাস্কোতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই জাহাজটিকে কমিশনিং বা আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষেবায় নিযুক্ত করা হয়। এই জাহাজটি সামুদ্রিক নজরদারি, দ্রুত সাড়া প্রদানকারী অভিযান এবং উপকূলীয় নিরাপত্তাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে।
আইসিজিএস (ICGS) ‘অক্ষয়’ জাহাজটি গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেড নির্মাণ করেছে। এই জাহাজের ৬০ শতাংশেরও বেশি অংশ ও প্রযুক্তি দেশীয়। ভারতীয় কোস্ট গার্ডের বহরে এর অন্তর্ভুক্তি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নজরদারি সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।
#WATCH | Vasco, Goa: Inspector General Bhisham Sharma, PTM, TM Commander Coast Guard Region (West), says, “…As you all know, national stakes at sea are clear… The sea is not only a space of movement and of commerce; it is also a space for security, economy, and national… https://t.co/P4UiloNjR2 pic.twitter.com/w3O2qYxbnW
— ANI (@ANI) June 27, 2026
‘সমুদ্র কেবল বাণিজ্যের বিষয় নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তারও ভিত্তি’
কোস্ট গার্ডের পশ্চিমাঞ্চলের কমান্ডার, ইন্সপেক্টর জেনারেল ভীষ্ম শর্মা (পিটিএম, টিএম) উল্লেখ করেছেন যে, সমুদ্র কেবল পরিবহন ও বাণিজ্যের মাধ্যমই নয়, বরং তা দেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং জাতীয় আত্মবিশ্বাসেরও এক অপরিহার্য ভিত্তি। তিনি উল্লেখ করেন যে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ভারতের জাতীয় লক্ষ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং যেকোনো মূল্যে তা সুদৃঢ় রাখতে হবে।
ইন্সপেক্টর জেনারেল ভীষ্ম শর্মা উল্লেখ করেছেন যে, কোনো নিরাপত্তা বাহিনীর প্রস্তুতি কেবল পরিস্থিতির মোকাবিলা করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এই প্রস্তুতির প্রতিফলন তাদের কর্মপদ্ধতি বা প্ল্যাটফর্ম, ইউনিফর্মধারী কর্মীদের প্রশিক্ষণ, আদর্শ কার্যপ্রণালী (SOP) এবং সর্বোপরি তাদের মানসিকতা ও সক্ষমতার মধ্যে থাকা আবশ্যক।
তিনি উল্লেখ করেন যে, ঠিক এই কারণেই কোস্ট গার্ডের জন্য প্রতিটি নতুন প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান যে, আইসিজিএস (ICGS) ‘অক্ষয়’-এর সংযোজন ভারতীয় কোস্ট গার্ডের সামুদ্রিক উপস্থিতি আরও জোরদার করবে। এটি জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার সময়সীমা কমিয়ে আনবে এবং বাহিনীর কর্মক্ষমতা ও প্রস্তুতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। ভারতের সামুদ্রিক সীমানা রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় এই জাহাজটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



