ইস্পাত তৈরির দৌড়ে শীর্ষ ১০-এ ভারত, প্রথম স্থানে কোন দেশ?

আনন্দ রাঠি রিসার্চের রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ দশ ইস্পাত উৎপাদক দেশের মধ্যে ভারতই একমাত্র দেশ, যাদের উৎপাদন ক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভারতের ইস্পাত চাহিদা ১৩.২৮৯ ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
india-only-top-10-steel-producer-consistent-growth-2025

আনন্দ রাঠি রিসার্চের রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ দশ ইস্পাত উৎপাদক দেশের মধ্যে ভারতই একমাত্র দেশ, যাদের উৎপাদন ক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভারতের ইস্পাত চাহিদা ১৩.২৮৯ মিলিয়ন টনে পৌঁছেছে। একই ভাবে টানা দ্বিতীয় মাসেও এই চাহিদা অব্যাহত ছিল। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “ভারত বিশ্বের দ্রুত ক্রমবর্ধনশীল ইস্পাত উৎপাদক এবং শীর্ষ ১০-এ থাকা একমাত্র দেশ যারা স্থিতিশীল ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।”

জানুয়ারি ২০২৫-এ বিশ্ব ইস্পাত বাজারে ভারতের অংশ ছিল ৯ শতাংশ, যা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক হিসেবে অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। ২০১৮ সালে জাপানকে টপকে ভারত এই স্থান দখল করেছিল। অপরদিকে পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক ইস্পাত উৎপাদক হিসেবে প্রথম স্থান দখল করে রয়েছে চিন। ভারতের দেশীয় চাহিদা বৃদ্ধি হওয়ায় টিয়ার-১ (১০ মিলিয়ন টনের বেশি ক্ষমতা) এবং টিয়ার-২ ও ৩ (১-১০ মিলিয়ন টন ক্ষমতা) সংস্থাগুলো উৎপাদন বাড়াচ্ছে। ফলে, ২০৩০ সালের আর্থিক বছরে (এফওয়াই৩০) অশোধিত ইস্পাত ক্ষমতা ২৪২ মিলিয়ন টনে পৌঁছবে, উৎপাদন হবে ২১০-২২০ মিলিয়ন টন। দেশীয় খরচ তখন ১৯০-২১০ মিলিয়ন টন হবে বলে ধারণা।

   

রাজ্যগুলোর মধ্যে ওড়িশার ক্ষমতা সর্বাধিক, ১৮ শতাংশ। ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক মিলে মোট ক্ষমতার ৬৮ শতাংশ এবং লৌহ আকরিকের ৯৭ শতাংশ উৎপাদন করে। এফওয়াই৩০-এ ওড়িশার অংশ ২৫ শতাংশে উঠবে। পঞ্জাব ও অন্ধ্রপ্রদেশে সবুজ ইস্পাত ক্ষমতাও গড়ে উঠছে।

এফওয়াই২৫-এর প্রথম দশ মাসে (এপ্রিল ২০২৪-জানুয়ারি ২০২৫) অশোধিত ইস্পাত উৎপাদন ৪.৫ শতাংশ বেড়ে ১২৪.৯১৯ মিলিয়ন টনে পৌঁছেছে, গত বছর যা ছিল ১১৯.৪৯৩ মিলিয়ন টন। এই বৃদ্ধি ভারতকে বিশ্ব ইস্পাত শিল্পে শক্তিশালী ভূমিকা ও দেশীয় সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google