৯ টি রাজ্যে কমছে হিন্দু! আদালতে জমা পড়ল PIL

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে একটি পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (PIL) দায়ের হয়েছে,(Hindus minority) যাতে দেশের জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনে দাবি করা হয়েছে…

hindus-minority-9-states-pil-supreme-court-demographic-change

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে একটি পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (PIL) দায়ের হয়েছে,(Hindus minority) যাতে দেশের জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ভারতের ৯টি রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। এছাড়া ২০০টি জেলায় উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ঘটেছে। সীমান্তবর্তী ১১৬টি গ্রামে মুসলিম জনসংখ্যা ৫০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর মুসলিম জনসংখ্যা ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ৯টি জেলায়ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যা SIR (Special Intensive Revision) রিপোর্টে উল্লেখিত।এই PIL-এ অফিসিয়াল ডেটা এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে যে, এই পরিবর্তনগুলো নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঘটছে, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা এবং সংবেদনশীল অঞ্চলে। আবেদনকারীরা আদালতের কাছে অনুরোধ করেছেন যে, এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন জাতীয় নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক ভারসাম্য এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর কী প্রভাব ফেলছে, তা খতিয়ে দেখা হোক।

   

আরও দেখুন: BNP র শেষ নির্বাচনী প্রচারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

তারা বলছেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ, ধর্মান্তরণ এবং অন্যান্য কারণে এই পরিবর্তন ঘটছে, যা দেশের ঐক্যের জন্য হুমকি।হিন্দু সংখ্যালঘু হয়ে পড়ার ৯টি রাজ্যের দাবি প্রায়শই উঠে আসে। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, লাদাখ (১%), মিজোরাম (২.৭৫%), লাক্ষাদ্বীপ (২.৫%), নাগাল্যান্ড (৮.৭৫%), মেঘালয় (১১.৫৩%), অরুণাচল প্রদেশ (২৯%), মণিপুর (৩১.৩৯%), পঞ্জাব (৩৮.৪%) এবং জম্মু-কাশ্মীরে (২৮.৪৪%) হিন্দুরা সংখ্যালঘু।

এই রাজ্যগুলোতে হিন্দুরা সংখ্যায় কম হলেও, তারা সংখ্যালঘু মর্যাদা পান না, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং সাংস্কৃতিক অধিকার রক্ষায় বাধা সৃষ্টি করে। আবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যভিত্তিক সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়া উচিত, যাতে হিন্দুরা এই রাজ্যগুলোতে সুবিধা পান।২০০টি জেলায় জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিবর্তন বেশি।

উত্তরপ্রদেশের নেপাল সীমান্তবর্তী ৭টি জেলায় (পিলিভীত, সিদ্ধার্থনগর, শ্রাবস্তী, খিরি, বালরামপুর, মহারাজগঞ্জ, বাহরাইচ) ১০ বছরে মুসলিম জনসংখ্যা ৩২ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে ১১৬টি গ্রামে মুসলিম জনসংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি, এবং ৩০৩টি গ্রামে ৩০-৫০ শতাংশ। মসজিদ এবং মাদ্রাসার সংখ্যাও বেড়েছে। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত জেলায়ও অনুরূপ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের ৯টি জেলায় জনসংখ্যাগত পরিবর্তন SIR রিপোর্টে উঠে এসেছে। SIR-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি দেখা গেছে, যা অনেককে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত করছে। মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এই জেলাগুলোতে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এই পরিবর্তন বেশি। আবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিবর্তন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।