দিল্লিতে প্রাক্তন RBI কর্মী খুনে ১ দিনের তদন্তেই গ্রেফতার আজাদ-রুবিনা

নয়াদিল্লি: দিল্লির মন্দির মার্গ এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত আরবিআই কর্মীর নৃশংস খুনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে (RBI employee murder)পুলিশ দুই অভিযুক্ত আজাদ এবং রুবিনাকে গ্রেফতার করেছে।…

delhi-rbi-employee-murder-azad-rubina-arrest-mandir-marg

নয়াদিল্লি: দিল্লির মন্দির মার্গ এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত আরবিআই কর্মীর নৃশংস খুনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে (RBI employee murder)পুলিশ দুই অভিযুক্ত আজাদ এবং রুবিনাকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার সন্ধ্যায়। ৬৩ বছর বয়সী মধো রাম নামের ওই ব্যক্তি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মাল্টি-টাস্কিং স্টাফ হিসেবে চাকরি করে অবসর নিয়েছিলেন। তাঁর বাড়িতেই তাঁকে একাধিক ছুরিকাহত অবস্থায় পাওয়া যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরেই এই খুন হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।মন্দির মার্গের অন্ধ বিদ্যালয়ের কাছে মধো রামের বাড়িতে রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে একজন ইলেকট্রিশিয়ান কাজ করতে গিয়ে ভয়ংকর দৃশ্য দেখেন। প্রথম তলার একটি ঘরে মধো রাম রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তিনি তৎক্ষণাৎ প্রতিবেশীদের খবর দেন এবং পুলিশকে জানান।

   

আরও দেখুনঃ নির্বাচনী নজরদারির মধ্যে বেআইনি মদ উদ্ধার কাশীপুরে

মন্দির মার্গ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মধো রামকে লেডি হার্ডিঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও অপেক্ষমাণ, তবে শরীরে একাধিক ছুরির আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল।মধো রাম তাঁর স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলের সঙ্গে থাকতেন। ঘটনার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়িতে ছিলেন না। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকারই এক পরিচিত ব্যক্তি ওই সময় তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক সূত্রে মনে হয়েছে।

তদন্ত শুরু হতেই পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। আশেপাশের রাস্তা ও বাড়ির ক্যামেরায় যে ফুটেজ পাওয়া যায়, তাতে একজন ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। সেইসঙ্গে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত পরীক্ষা করেন। এই দুইয়ের সমন্বয়ে পুলিশ খুব দ্রুত আসামিদের চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।পুলিশের তদন্তে উঠে আসে, আসামি আজাদ ওরফে জাজু একজন দর্জি। তাঁর স্ত্রী রুবিনা।

দুজনেই মধো রামের এলাকায় থাকতেন এবং তাঁদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক ছিল। মধো রামের কাছে টাকা ধার চেয়েছিলেন আজাদ দম্পতি। কিন্তু মধো রাম তা দিতে অস্বীকার করেন। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে বিরোধ তীব্র হয়। পুলিশ বলছে, আজাদ দম্পতি ক্ষোভে অন্ধ হয়ে মধো রামকে খুন করেন। জিজ্ঞাসাবাদে আজাদ নিজেই খুনের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।