নয়াদিল্লি: দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ( terror module) একটি বড় অভিযানে শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের দুটি আলাদা মডিউল ভেঙে দিয়েছে। অভিযানে দিল্লি ও পঞ্জাব থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, একটি মডিউল জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল, অন্যটি অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে। অভিযানে বেশ কয়েকটি পিস্তল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কটি অত্যন্ত সংগঠিতভাবে কাজ করছিল। এর সদস্যরা দিল্লি, পঞ্জাবসহ একাধিক রাজ্যে তাদের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রেখেছিল। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, দুটি মডিউল আলাদাভাবে কাজ করলেও একই মাস্টারমাইন্ডের নির্দেশে চলছিল।প্রথম মডিউলে গ্রেফতার হয়েছেন সলমান ও দানিশ ওরফে চাঁদ মিয়াঁ।
আরও দেখুনঃ শেষ হল আশা! ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটসে হেরে গেলেন জালিয়াত মোদী
এঁরা হুনাইন রানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। হুনাইন রানা গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে পরিচিত। এই মডিউলটি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।দ্বিতীয় মডিউলে গ্রেফতার হয়েছেন তায়্যব, আলি ফজল, জুবায়ের ও মলকিত। এই গ্রুপটি অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
আরও দেখুনঃ হোলি-শিবরাত্রিতে আর লুকোছাপা নয়! ভাং মাদক নয় জানাল হাইকোর্ট
অভিযানে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক পিস্তল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ মনে করছে, এই অস্ত্রগুলো সীমান্তের ওপার থেকে আসতে পারে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই নেটওয়ার্কের ওপর নজর রাখছিলাম। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই নেটওয়ার্ক যে কতটা বিপজ্জনক ছিল, তা উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্র দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে, তদন্ত চলছে।”এই অভিযানের ফলে রাজধানী দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও মজবুত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো নেটওয়ার্কের ছবি স্পষ্ট করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও প্রাথমিক তথ্য মিলেছে।





