ভারতের মহাকাশ অভিযানে নয়া অধ্যায়, ISRO-এর ভারী স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

শ্রীহরিকোটার সাতিশ ধাওয়ান স্পেস (Isro Satellite) সেন্টারে শনিবার থেকে ভারতের সবচেয়ে ভারী যোগাযোগ উপগ্রহ CMS-03 উৎক্ষেপণের ২৪ ঘণ্টার কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে, জানিয়েছে ISRO। এই নতুন উপগ্রহের ওজন প্রায় ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Countdown Underway: India’s Heaviest Communication Satellite to Lift Off Soon

শ্রীহরিকোটার সাতিশ ধাওয়ান স্পেস (Isro Satellite) সেন্টারে শনিবার থেকে ভারতের সবচেয়ে ভারী যোগাযোগ উপগ্রহ CMS-03 উৎক্ষেপণের ২৪ ঘণ্টার কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে, জানিয়েছে ISRO। এই নতুন উপগ্রহের ওজন প্রায় ৪,৪১০ কেজি, যা ভারতের মাটিতে উৎক্ষেপিত হওয়া সবচেয়ে ভারী যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছে।

উপগ্রহটি জিওসিঙ্ক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিট (GTO)-তে পাঠানো হবে, যা ভারতের যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করবে। CMS-03 স্যাটেলাইটটি LVM3-M5 রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হবে। এই ভারী-উঠানো ক্ষমতাসম্পন্ন রকেটকে প্রায়শই ‘বাহুবলী’ নামে ডাকা হয়। ISRO জানিয়েছে, উৎক্ষেপণ যানটি সম্পূর্ণভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং স্যাটেলাইটের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। এরপর এটি দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাডে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেখানে উৎক্ষেপণের পূর্বপ্রস্তুতি শুরু হবে।

   

 রকেটটির উচ্চতা প্রায় ৪৩.৫ মিটার এবং এটি ২ নভেম্বর বিকেল ৫:২৬ টায় উৎক্ষেপণের জন্য নির্ধারিত। CMS-03 উৎক্ষেপণ ভারতীয় মহাকাশ ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই উৎক্ষেপণ ভারতের যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভারী উপগ্রহ উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে দেশের সক্ষমতা প্রমাণ করবে।

LVM3-M5 (Launch Vehicle Mark-3) হলো ISRO-এর নতুন ভারী-উঠানো রকেট। এই রকেটটি তিন স্তরের এবং এতে রয়েছে:

  1. দুটি সলিড মোটর স্ট্র্যাপ-অন (S200)
  2. লিকুইড প্রোপেল্যান্ট কোর স্টেজ (L110)
  3. ক্রায়োজেনিক স্টেজ (C25)

এই তিন স্তর এবং দুইটি শক্তিশালী স্ট্র্যাপ-অন মিলিয়ে রকেটটিকে পুরোপুরি স্বনির্ভরতা প্রদান করে ভারী যোগাযোগ উপগ্রহ উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে। ISRO-এর এই প্রযুক্তি ভারতের মহাকাশ সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও দৃঢ় করে তুলবে।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।