নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কাণ্ড ও ছাত্রবিক্ষোভের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সোশ্যাল মিডিয়া বার্তা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। মহারাষ্ট্রে নিজের শহরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী পদের দায়িত্ব সামলানোর চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেই বেশি মানানসই নরেন্দ্র মোদী। অবিলম্বে তাঁর প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে অন্য কাউকে দেশ চালানোর সুযোগ দেওয়া উচিত।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর মুখ খুলে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা বলেন, “আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী মোদীর এবার ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। এই কাজটা উনি বেশ ভালোই করছেন। তাঁর উচিত প্রধানমন্ত্রীর গদি ছেড়ে দেওয়া, যাতে অন্য কোনো নেতা দেশ চালানোর দায়িত্ব নিতে পারেন।” পড়ুয়াদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিয়োবার্তার প্রসঙ্গ টেনেই এই কটাক্ষ করেন তিনি।
ছাত্রবিক্ষোভ ও হয়রানি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে হুঙ্কার
আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও দেশজুড়ে পড়ুয়াদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন অভিজিৎ দীপকে। তাঁর হুঁশিয়ারি, “সিজেপি-র আন্দোলন তুলে নেওয়ার পরেও বিভিন্ন রাজ্যের সরকার আন্দোলনকারীদের চিহ্নিত করে হেনস্থা করছে। সরকারের এই ছাত্র দমন নীতি অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। নইলে আগামী নির্বাচনে এর কড়া জবাব দেবে দেশের যুবসমাজ।” শুধু তাই নয়, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেও সাধারণ মানুষের ক্ষোভ মেটেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।
দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি-র বিক্ষোভের সময় আন্দোলনকারী ছাত্রদের ওপর পেলেট বন্দুক ব্যবহারের তীব্র নিন্দা করে অভিজিৎ বলেন, “সেটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হোন বা অন্য কেউ, যারা এই গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।” এছাড়া সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াতের করা আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাঁকে “পার্টটাইম রাজনীতিবিদ” বলে উড়িয়ে দেন সিজেপি প্রধান। প্রশ্নফাঁস মামলার প্রথম শুনানিতে সিবিআই আইনজীবীর অনুপস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রকে একহাত নেন তিনি।
ভুল স্বীকারের পর সাফাই! মোদীর অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপের ঘোষণা মেটার
অসম জুড়ে প্রলয়ঙ্করী বন্যার ক্ষত: মৃত বেড়ে ৭৮, ফের ভারী বৃষ্টির সতর্কতা




