পুরো ভারত সন্ত্রাসমুক্ত, কাশ্মীরই একমাত্র ব্যতিক্রম, দাবি ডোভালের

নয়াদিল্লি: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে৷ দৃঢ় দাবি করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, বিগত এক দশকে দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসের ছায়া প্রায় ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
India Terrorism Eradication

নয়াদিল্লি: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে৷ দৃঢ় দাবি করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, বিগত এক দশকে দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসের ছায়া প্রায় সম্পূর্ণভাবে মুছে গেছে। সর্বশেষ বড় সন্ত্রাসবাদী হামলা ঘটেছিল ২০১৩ সালে; তার পর থেকে ভারতের মূল ভূখণ্ডে আর কোনও বড় ঘটনা ঘটেনি।

তথ্যই কথা বলে

সম্প্রতি ‘সর্দার প্যাটেল মেমোরিয়াল লেকচার অন গভর্ন্যান্স’-এ ভাষণ দিতে গিয়ে অজিত ডোভাল বলেন, “তথ্য নিজেরাই কথা বলে, বিতর্কের অবকাশ নেই। এই দেশে সন্ত্রাসবাদ কার্যত রুদ্ধ হয়েছে। ২০০৫ সালের ১ জুলাই বড় সন্ত্রাসী হামলার পর সর্বশেষ বড় ঘটনা ছিল ২০১৩-তে। জম্মু ও কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের প্ররোচনায় এক প্রক্সি যুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে রয়ে গিয়েছে, তার বাইরে গোটা দেশ সন্ত্রাসের হুমকি থেকে নিরাপদ।”

   

তিনি আরও জানান, গত এক দশকে কেন্দ্রীয় সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির যৌথ প্রচেষ্টায় সন্ত্রাসবাদের পরিকাঠামো ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

একাধিক স্তরে পদক্ষেপ India Terrorism Eradication

“একাধিক স্তরে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়েছে, বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে, সম্ভাব্য হামলার আগেই নেটওয়ার্ক ধ্বংস করা হয়েছে,” — উল্লেখ করেন এনএসএ।

অজিত ডোভালের মতে, সন্ত্রাস দমনে ভারতের সফলতার মূলে রয়েছে সুসংগঠিত গোয়েন্দা ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, এবং কঠোর নিরাপত্তা কৌশল। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানের প্ররোচনায় প্রক্সি যুদ্ধের চেষ্টা এখনো অব্যাহত, এবং সেটিই দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার এই বক্তব্য দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোভালের এই মন্তব্য শুধু নিরাপত্তা নীতির সাফল্যের পরিচায়ক নয়, বরং ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google