জমি জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ী সোনা পাপ্পু এবং পুলিশকর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে (Sona Pappu-Shantanu)বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানো হলো। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ১০ দিনের ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁদের ফের আদালতে পেশ করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
সূত্রের খবর, জমি সংক্রান্ত একাধিক অনিয়ম ও আর্থিক (Sona Pappu-Shantanu)লেনদেনের অভিযোগে দু’জনকেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীরা এই সময়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন বলে জানা গিয়েছে। মূলত জমি হস্তান্তর, মালিকানা পরিবর্তন এবং আর্থিক লেনদেনের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হয়েছে তদন্তে। বৃহস্পতিবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দু’জনকেই আদালতে নিয়ে আসা হয়। আদালত চত্বরে আগে থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। সাধারণ মানুষের ভিড় এবং মিডিয়ার উপস্থিতি ঘিরে পুরো এলাকা কার্যত সরগরম হয়ে ওঠে। আদালতের বাইরে আইনজীবী ও নিরাপত্তাকর্মীদের ব্যস্ততাও চোখে পড়ে।
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন (Sona Pappu-Shantanu)একাধিক নথি ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সন্দেহজনক কিছু ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন এবং জমি ক্রয়-বিক্রয়ের নথি ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই মামলায় আরও কয়েকজনের নাম সামনে আসতে পারে, যাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন যে তাঁদের মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করা হয়েছে। আদালতে আরও যুক্তি দেওয়া হয় যে দীর্ঘ হেফাজতের পর এবার তাঁদের জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, যিনি একজন পুলিশকর্তা(Sona Pappu-Shantanu) হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্বে ছিলেন, তাঁর নাম এই মামলায় জড়িয়ে পড়ায় প্রশাসনিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। একইভাবে ব্যবসায়ী সোনা পাপ্পুর ভূমিকা নিয়েও তদন্তকারীরা গভীরভাবে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
আদালত সূত্রে খবর, শুনানির সময় ইডির আইনজীবীরা তদন্তের অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং আরও হেফাজতের প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেন। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর পরবর্তী নির্দেশ সংরক্ষণ করে।




















