Global Military Spending: স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই)-এর একটি রিপোর্ট অনুসারে, ভারত ২০২৫ সাল নাগাদ তার প্রতিরক্ষা ব্যয় ৮.৯ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৯২.১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৫ সালে মোট বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২,৮৮৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা টানা একাদশ বছর ধরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর শীর্ষ পাঁচটি ব্যয়কারী দেশ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, রাশিয়া, জার্মানি এবং ভারত। এই পাঁচটি দেশ সম্মিলিতভাবে বৈশ্বিক ব্যয়ের ৫৮ শতাংশ বহন করেছে।
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার প্রভাব
প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা এবং সামরিক পদক্ষেপের (যার মধ্যে যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত ছিল) কারণে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানও তার প্রতিরক্ষা বাজেট ১১% বৃদ্ধি করে ১১.৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে। এর কারণ হিসেবে চিন থেকে নতুন অস্ত্র ক্রয় এবং পুরোনো চুক্তির নিষ্পত্তিকে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে
২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় প্রায় ৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিরক্ষা ব্যয় এখন বিশ্ব জিডিপির ২.৫%, যা ২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ।
ইউরোপ ও এশিয়ায় উত্থান প্রতিবেদন অনুসারে, ইউরোপে প্রতিরক্ষা ব্যয় ১৪% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এশিয়া ও ওশেনিয়ায় তা বেড়েছে ৮.১%। এর প্রধান কারণ হলো ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ন্যাটো দেশগুলোর সামরিক প্রস্তুতি।
যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের অবস্থা
ইউক্রেনের জন্য কোনো নতুন সহায়তা অনুমোদিত না হওয়ায় ২০২৫ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যয় ৭.৫% হ্রাস পেয়ে ৯৫৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, চিন তার ব্যয় ৭.৪% বৃদ্ধি করে ৩৩৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে, যা টানা ৩১তম বছরের প্রবৃদ্ধি। প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, উত্তেজনা এবং অস্থিতিশীলতা দেশগুলোকে ক্রমাগত তাদের সামরিক শক্তি বাড়াতে চালিত করছে, যার ফলে প্রতিরক্ষা ব্যয়ও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।




















