কলকাতা: রাসবিহারী বিধানসভার বিধায়ক দেশবাশীষ কুমারকে শমন পাঠিয়ে তলব ইডির। (Debasish Kumar)আজ তৃণমূল নেতাকে রীতিমত শমন পেয়ে ছুটতে হয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্সে। এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুনাল ঘোষ। কুনাল ঘোষ বলেছেন, “বিজেপির ক্যাডাররা যারা সরাসরি রাজনীতি করে না, তারাই এখন সিবিআই-ইডি হয়ে নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে, ভোটার লিস্ট থেকে নাম কাটা হচ্ছে।
বিজেপি খুব খারাপভাবে হারছে বলেই এসব করছে।” তিনি অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলোকে বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে। নির্বাচনের ঠিক আগে তৃণমূল প্রার্থীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের তলব এবং অভিযান শাসক দলের প্রচারে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা বলে তিনি মনে করেন।দেবাশিস কুমার রাসবিহারী কেন্দ্রের একজন পরিচিত মুখ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন।
আরও দেখুনঃ বাজারে আলু ১৪ টাকা, কৃষকেরা পাচ্ছেন মাত্র ২! সংকট কাটাতে কী উদ্যোগ নিল রাজ্য?
কলকাতা পুরসভার সঙ্গেও তিনি যুক্ত। জমি প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে তাঁকে ইডি তলব করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তৃণমূল শিবিরের দাবি, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। ভোটের প্রচারের মাঝে এমন তলব তাঁর প্রচার কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাবে বলে দলীয় নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।কুনাল ঘোষ আরও বলেন, “যেখানে বিজেপি সরাসরি রাজনীতি করে হারছে, সেখানে তারা কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করে বিরোধীদের হয়রানি করছে।
ভোটারদের নাম কেটে দেওয়া, ভয় দেখানো এসব করে তারা জনগণের রায়কে প্রভাবিত করতে চাইছে। কিন্তু বাংলার মানুষ এসব দেখছে। তারা জানে কে তাদের পাশে আছে।” তিনি এটিকে গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ বলেও বর্ণনা করেছেন।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্যই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দলের নেতারা মনে করেন, বিজেপি রাজ্যে ভালো ফল করতে না পেরে হতাশ হয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
দেবাশিস কুমার নিজেও এই তলবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া মেনে তিনি ইডির সামনে হাজির হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন।এদিকে, বিজেপি শিবির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, ইডি স্বাধীনভাবে তদন্ত করছে এবং কোনো রাজনৈতিক প্রভাব নেই। যদি কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ থাকে, তাহলে তদন্ত হওয়া উচিত। বিজেপি নেতারা দাবি করেন, তৃণমূল দুর্নীতির অভিযোগ ঢাকতে এসব কথা বলছে।




















