Delhi: গোমাংস বিক্রির গুজব ছড়িয়ে দিল্লিতে পিটিয়ে খুন

ফের প্রকাশ্যে এল গোরক্ষকদের তাণ্ডবের কথা। এবার ঘটনাস্থল রাজধানী (Delhi) দিল্লি। জানা গিয়েছে গোমাংস বিক্রির অভিযোগে এক ফার্ম হাউসের কেয়ারটেকারকে পিটিয়ে খুন করেছে তথাকথিত কিছু গোরক্ষক। যদিও মৃতের ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
delhi-police

ফের প্রকাশ্যে এল গোরক্ষকদের তাণ্ডবের কথা। এবার ঘটনাস্থল রাজধানী (Delhi) দিল্লি। জানা গিয়েছে গোমাংস বিক্রির অভিযোগে এক ফার্ম হাউসের কেয়ারটেকারকে পিটিয়ে খুন করেছে তথাকথিত কিছু গোরক্ষক।

যদিও মৃতের স্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অসুস্থ। তিনি কোনওদিনই গোমাংস বিক্রি করতেন না। এ ধরনের কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন না। অযথাই গুজব ছড়িয়ে তাঁর স্বামীকে পিটিয়ে মারা হয়েছে।

   

সোমবার রাতে দিল্লির দােয়ারকা এলাকার বাসিন্দা রাজারাম নামে ওই কেয়ারটেকারের উপর ১০-১৫ জন দুষ্কৃতীর একটি দল হামলা চালায়। প্রকাশ্যেই রাজারামকে পিটিয়ে মারে ওই গোরক্ষকরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও রাজারামকে বাঁচানো যায়নি।

এ ঘটনার পর দুদিন কেটে গেলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি। শুধুমাত্র কয়েজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে দোয়ারকা অঞ্চলে এক চিকিৎসকের ফার্মহাউসে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করছিলেন রাজারাম। ৪ সন্তান এবং স্ত্রীকে নিয়ে রাজারামের ৬ জনের সংসার।

তবে নিজেদের নাম গোপন করে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাজারাম ফার্মহাউসের ভিতরে গোপনে গোহত্যা করতেন এবং লুকিয়ে বিক্রি করতেন সেই মাংস। বেশ কয়েকদিন ধরেই এলাকায় রাজারামের বিরুদ্ধে গোমাংস বিক্রির কথা ছড়িয়ে পড়েছিল।

সোমবার রাতে রাজারামের উপর হামলা হয়। যদিও রাজারামের স্ত্রী পুরো বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি রাজারাম দীর্ঘ এক বছর ধরে লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। কেয়ারটেকারের কাজ করে মাসে হাজার চারেক টাকা রোজগার করতেন তাঁর স্বামী। যে কারণে তাঁর ১৬ বছর বয়সি বড় ছেলেকেও কাজে লাগিয়েছেন। স্বামী ও ছেলের আয়ে কোনওভাবে তাঁদের সংসার চলত। তাই স্বামীর মৃত্যুতে কিভাবে তাঁর সংসার চলবে তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google