দীর্ঘ টাল বাহানার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আইএসএলের (ISL) মরশুম। সেখানেই অভিযান শুরুর আগে সুখবর দিল চেন্নাইয়িন এফসি। নতুন মরশুমের আগে স্কোয়াড আরও শক্তিশালী করতে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার, আলবার্তো নোগুয়েরাকে দলে নিল দক্ষিণ ভারতের দল। মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া এই অভিজ্ঞ প্লেমেকার সিজনের শেষ পর্যন্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন এবং ইমরান খানের পর তিনি হলেন ‘মেরিনা মাচান্স’দের দ্বিতীয় নতুন সংযোজন।
ফিরল জোটার স্মৃতি, তবে অল্পের জন্য শেষরক্ষা এই ফরাসি তারকার
প্রায় ৪০০টি পেশাদার ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে নোগুয়েরা চেন্নাইয়িন শিবিরে আসছেন এক সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার নিয়ে। স্পেন, ইংল্যান্ড, আজারবাইজান ও ভারতের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ভারতীয় ফুটবলেও তিনি পরিচিত মুখ আগে আইএসএল, আইএসএল কাপ ও ডুরান্ড কাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।
আক্রমণভাগ ও সেন্ট্রাল মিডফিল্ড, দুই ভূমিকাতেই স্বচ্ছন্দ নোগুয়েরা। তাঁর ভিশন, নিখুঁত পাসিং, বলের উপর নিয়ন্ত্রণ ও খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা চেন্নাইয়িন এফসির মাঝমাঠে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। দলের আক্রমণ গড়ে তোলা ও মাঝমাঠে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
চেন্নাইয়িন এফসিতে যোগ দেওয়ার পর নোগুয়েরা বলেন, “আমি খুবই খুশি ও উচ্ছ্বসিত। নতুন মরসুমের দিকে তাকিয়ে আত্মবিশ্বাসী লাগছে। এর আগেও আমি হেড কোচের সঙ্গে কাজ করেছি এবং দলে অনেক পরিচিত খেলোয়াড় রয়েছে, যা আমাকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। চ্যালেঞ্জটা সহজ নয়, তবে আইএসএলের নানা সমস্যার পরেও আমরা আমাদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত।”
শেষ মুহূর্তের ডাক পেয়েও অনিশ্চয়তায় স্কটল্যান্ড, ফের সুযোগ বাংলাদেশের!
মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া নোগুয়েরা গেটাফে ও এসএস রেয়েসের যুব দল দিয়ে ফুটবল জীবন শুরু করেন। পরে তিনি স্পেনের অন্যতম শক্তিশালী ক্লাব অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে যোগ দেন এবং ২০১০-১১ মরশুমে প্রথম দলে অভিষেক হয় তাঁর। এরপর ইংল্যান্ড ও আজারবাইজানে খেলার পর ২০১৪ সালে স্পেনে ফিরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডিভিশনে নিয়মিত পারফর্ম করেন। ২০২০ সালে তিনি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে পা রাখেন। এরপর পাঁচ সিজনে তিন ক্লাবের হয়ে ৯০টিরও বেশি ম্যাচে অংশ নিয়ে ১৪টি গোল ও ১৫টি অ্যাসিস্ট করেন।
নোগুয়েরাকে স্বাগত জানিয়ে চেন্নাইয়িন এফসির হেড কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা বলেন, “নোগুয়েরা মানেই গুণগত মান ও ধারাবাহিকতা। মাঝমাঠে তাঁর শান্ত মাথা ও নিয়ন্ত্রণ আমাদের দলকে স্থিতিশীলতা দেবে। আইএসএল সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।”




















