কলকাতা: নদিয়া জেলার চাকদা বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের দিন বুধবার সকালে ফের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে (Chakdaha BJP)। ৭০ নম্বর বুথের কাছে চাকদা কলেজ এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা বিজেপি কর্মী শ্রীদাম বিশ্বাসের উপর আক্রমণ চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা তাঁর মাথায় আঘাত করে। মাথা ফেটে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে চাকদা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শ্রীদাম বিশ্বাস জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ চলাকালীন তিনি ৭০ নম্বর বুথের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎই একদল দুষ্কৃতী তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। লাঠি ও অন্যান্য অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। তিনি স্পষ্ট অভিযোগ করেছেন যে, আক্রমণকারীরা তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতি। চাকদা বিধানসভা কেন্দ্রে এবার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। চাপড়ায় সাম্প্রতিক হিংসার ঘটনার পর চাকদায় এই হামলা নিয়ে বিজেপি শিবিরে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
আরও দেখুনঃ শেষ দফায় বঙ্গে ভোটের ‘পাওয়ার প্লে’! সকাল ১১টার মধ্যে ভোট পড়ল প্রায় ৪০ শতাংশ
বিজেপি নেতারা বলছেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভোটারদের ভয় দেখিয়ে এবং বিরোধী কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে চাইছে। শ্রীদাম বিশ্বাসের মতো সাধারণ কর্মীদের উপর হামলা করে তারা বিরোধীদের মনোবল ভাঙতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনার খবর পেয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তাঁরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং দ্রুত পুলিশি তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলছেন, “ভোটের দিনেও যদি এমন হামলা চলে, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে নির্ভয়ে ভোট দিতে আসবেন? প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নীরবতা প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।”অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের নেতারা বলছেন, বিজেপি কর্মীরা নিজেরাই গোলমাল পাকিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। তাঁরা দাবি করেন যে, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে চলছে এবং এই ধরনের অভিযোগ শুধুমাত্র বিজেপির হারের অজুহাত তৈরির অংশ।




















