বিদেশে শিক্ষায় কমল TCS রেট

নয়াদিল্লি: আজ, ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন লোকসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget)পেশ করেছেন। এটি তাঁর টানা নবম বাজেট, যা করদাতাদের জন্য একাধিক…

union-budget-2026-27-tcs-rate-cut-overseas-education

নয়াদিল্লি: আজ, ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন লোকসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget)পেশ করেছেন। এটি তাঁর টানা নবম বাজেট, যা করদাতাদের জন্য একাধিক স্বস্তির ঘোষণা নিয়ে এসেছে। সবচেয়ে আলোচিত ঘোষণাগুলোর মধ্যে একটি হলো লিবারালাইজড রেমিট্যান্স স্কিম (এলআরএস)-এর অধীনে বিদেশে শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য রেমিট্যান্সে ট্যাক্স কালেক্টেড অ্যাট সোর্স (টিসিএস) রেট কমানো।

অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, শিক্ষা ও মেডিকেল উদ্দেশ্যে বিদেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে টিসিএস রেট ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য বড় স্বস্তি, বিশেষ করে যাঁরা সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনা বা চিকিৎসার জন্য টাকা পাঠান।বাজেট ভাষণে নির্মলা সীতারামন বলেছেন, “আমি প্রস্তাব করছি যে, লিবারালাইজড রেমিট্যান্স স্কিমের অধীনে শিক্ষা ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে টিসিএস রেট ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হোক।”

   

ব্যাঙ্কিং ও বিনিয়োগ খাতের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা

এছাড়া বিদেশি ট্যুর প্যাকেজের ক্ষেত্রেও টিসিএস রেট ৫ শতাংশ ও ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে, কোনো থ্রেশহোল্ড ছাড়াই। এই পরিবর্তনগুলো করদাতাদের উপর অতিরিক্ত চাপ কমাবে এবং বিদেশে শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচ সহজতর করবে। বর্তমানে এলআরএস-এর অধীনে বছরে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রেমিট্যান্সে টিসিএস ৫ শতাংশ ছিল শিক্ষা ও মেডিকেলের ক্ষেত্রে (লোন-ফাইন্যান্সড না হলে), কিন্তু এখন তা সরাসরি ২ শতাংশে নামানো হয়েছে।

এতে যাঁরা বিদেশে এমবিএ, এমএস বা অন্যান্য কোর্স করতে চান, বা গুরুতর রোগের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যান, তাঁদের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।এই ঘোষণা মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত করবে। ভারতে বিদেশি শিক্ষার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেনে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা লক্ষাধিক।

একইভাবে, ক্যান্সার, হার্ট সার্জারি বা অন্যান্য উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়া রোগীদের সংখ্যাও কম নয়। আগে ৫ শতাংশ টিসিএস-এর কারণে অনেক পরিবারকে অতিরিক্ত টাকা জমা দিতে হতো, যা পরে রিফান্ডের জন্য আবেদন করতে হতো এতে সময় ও ঝামেলা বাড়ত। এখন ২ শতাংশে নামানো হয়েছে বলে সেই বোঝা অনেকটা কমবে। সরকারের লক্ষ্য কর প্রশাসনকে সহজ করা এবং করদাতাদের স্বস্তি দেওয়া, যা এই পদক্ষেপে স্পষ্ট।