তেল-গ্যাস খাতে বড় সিদ্ধান্ত! ২০৩০-৩১ অর্থবর্ষে বরাদ্দ হল ৮৪,০৮৪ কোটি টাকা

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা দেশের তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানকে চাঙ্গা (India oil)করতে এক বিশাল পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। ২০৩০-৩১ অর্থবছর পর্যন্ত চলা এই প্রকল্পে মোট ৮৪,০৮৪ কোটি…

india-oil-gas-exploration-plan

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা দেশের তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানকে চাঙ্গা (India oil)করতে এক বিশাল পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। ২০৩০-৩১ অর্থবছর পর্যন্ত চলা এই প্রকল্পে মোট ৮৪,০৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য দেশের সমুদ্রীয় এলাকায় লুকিয়ে থাকা বিপুল জ্বালানি সম্পদকে কাজে লাগানো। বর্তমানে ভারত তার তেলের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি করে।

এই প্রকল্প সেই আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি স্বাধীনতার দিকে এক বড় পদক্ষেপ(India oil)।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা এই প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করতে চায়। প্রকল্পের আওতায় সমুদ্রীয় এলাকায় নতুন অনুসন্ধান, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং পরিকাঠামো নির্মাণে জোর দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের উপকূলীয় এলাকায় বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisements

আরও দেখুনঃ আদিবাসীদের জোর জবরদস্তি ধর্মান্তকরণ করলেই জেলে পাঠাব! হুঁশিয়ারি ডবল ইঞ্জিন মুখ্যমন্ত্রীর

কিন্তু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও বিনিয়োগের অভাবে এতদিন তা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। নতুন প্রকল্প এই সীমাবদ্ধতা দূর করবে।বর্তমানে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ। প্রতি বছর লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে চলে যায় শুধু তেল কিনতে। এই আমদানি নির্ভরতা দেশের অর্থনীতিকে চাপে ফেলে। মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছিলেন, “জ্বালানি স্বাধীনতা ছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ।”

নতুন প্রকল্প সেই লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে। প্রকল্পের (India oil)আওতায় বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও উৎসাহিত করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সহজ নিয়মকানুন করা হবে।পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন করে কয়েকটি ব্লক চিহ্নিত করা হয়েছে। সমুদ্রের গভীর অংশে অনুসন্ধান চালানোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

এতে দেশীয় উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানি কমবে। ফলে বিদেশি মুদ্রার সাশ্রয় হবে এবং অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।এই উদ্যোগ চাষিদেরও উপকৃত করবে। গ্যাস উৎপাদন বাড়লে সারের দাম কমবে। শিল্পক্ষেত্রে সস্তায় গ্যাস পাওয়া যাবে। সাধারণ মানুষের জ্বালানি খরচ কমবে। পরিবেশবিদরা বলছেন, সমুদ্রীয় অনুসন্ধানের সময় পরিবেশ সুরক্ষার দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।

আরও দেখুনঃ ‘ওঁর আত্মত্যাগ ভোলা সম্ভব নয়’: সোনামের সঙ্গে দূরত্বের জল্পনা ওড়ালেন আরশোলা নেতা

সরকার জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের তেল উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বর্তমানে দেশের তেল উৎপাদনের একটি বড় অংশ আসে স্থলভাগ থেকে। সমুদ্রীয় সম্পদ কাজে লাগাতে পারলে উৎপাদন দ্বিগুণ হতে পারে। এতে বিদেশি তেল কোম্পানিগুলোও ভারতে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।