জ্বালানি সঙ্কটে স্বস্তি দিয়ে রাশিয়া থেকে এল ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল

নয়াদিল্লি: ভারতের জ্বালানি সঙ্কটের মুখে একটি বড় সড় স্বস্তি। আমেরিকার দেওয়া অস্থায়ী ছাড়ের পর ভারতীয় রিফাইনারিরা (Russian Crude Oil)রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড অয়েল কিনে নিয়েছে। ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
india-buys-30-million-barrels-russian-crude-oil-us-waiver-energy-crisis

নয়াদিল্লি: ভারতের জ্বালানি সঙ্কটের মুখে একটি বড় সড় স্বস্তি। আমেরিকার দেওয়া অস্থায়ী ছাড়ের পর ভারতীয় রিফাইনারিরা (Russian Crude Oil)রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড অয়েল কিনে নিয়েছে। এই কেনাকাটা মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের এনার্জি নিরাপত্তাকে অনেকটা মজবুত করেছে।গত সপ্তাহে মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ৩০ দিনের ওয়েভার জারি করে, যাতে ভারতীয় রিফাইনারিরা ৫ মার্চের আগে লোড করা রাশিয়ান ক্রুড অয়েল কিনতে পারে।

যেগুলো সমুদ্রে আটকে ছিল। এই ছাড়ের ফলে ভারতীয় কোম্পানিগুলো দ্রুত অ্যাকশন নেয়। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুসারে, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজসহ অন্যান্য রিফাইনারিরা স্পট মার্কেটে উপলব্ধ সব রাশিয়ান কার্গো কিনে নিয়েছে। এই ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল ভারতের গড় মাসিক রাশিয়ান অয়েল আমদানির সমান ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল প্রায় ১.১ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিন।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

   

আরও দেখুনঃ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বিশেষ সম্মান ম্যান ইউয়ের, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অতিথি মহারাজ

ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা সংঘাতে হরমুজ প্রণালীতে তেলের চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ভারতের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্রুড অয়েল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে ইরাক, সৌদি আরব, UAE, কুয়েত। যুদ্ধের ফলে ট্যাঙ্কার ট্রাফিক কমে গেছে, দাম বেড়েছে, এবং সাপ্লাই চেইন অস্থির। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ান অয়েল একটি দ্রুত বিকল্প হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে যেগুলো এশিয়ান জলে আটকে ছিল।

কেনাকাটার সময় রাশিয়ান গ্রেডগুলো ব্রেন্টের উপর $২ থেকে $৮ প্রিমিয়ামে বিক্রি হয়েছে। আগে রাশিয়ান অয়েল ডিসকাউন্টে পাওয়া যেত, কিন্তু এখন সরবরাহ সঙ্কটের কারণে প্রিমিয়াম দিতে হচ্ছে। তবু এটি ভারতের জন্য স্বস্তির, কারণ অন্য উৎস থেকে এত দ্রুত এত পরিমাণ অয়েল পাওয়া কঠিন। রিলায়েন্সের মতো বড় রিফাইনারি মার্চের জন্য কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল কিনেছে, যাতে স্টক রিপ্লেনিশ করা যায়।

এই ওয়েভার মার্কিন নীতির একটি বড় পরিবর্তন। গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন ভারতকে রাশিয়ান অয়েল কেনা বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছিল ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে অর্থ সরবরাহ না করার জন্য। এমনকি ট্যারিফও লাগানো হয়েছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কটে এখন তারাই ভারতকে অনুমতি দিয়েছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, এটি অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্লোবাল মার্কেটে তেলের প্রবাহ অব্যাহত রাখার জন্য। ওয়েভার ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বৈধ।

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google