Barrackpore: গ্রেফতার সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাই, রণক্ষেত্র শিল্পাঞ্চল

Barrackpore: গোষ্ঠী কোন্দল তৃণমূলের অন্দরে। ব্যাটারি কারখানা দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কোন্দল চরমে৷ তার জেরে শ্যামনগরের এক্সাইড ব্যাটারি কারখানায় গত ৫ দিন ধরে তৃণমূলের দুই শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে বিবাদ দেখা দিয়েছিল

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
Barrackpore: গোষ্ঠী কোন্দল তৃণমূলের অন্দরে। ব্যাটারি কারখানা দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কোন্দল চরমে৷ তার জেরে শ্যামনগরের এক্সাইড ব্যাটারি কারখানায় গত ৫ দিন ধরে তৃণমূলের দুই শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে বিবাদ দেখা দিয়েছিল

Barrackpore: গোষ্ঠী কোন্দল তৃণমূলের অন্দরে। ব্যাটারি কারখানা দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কোন্দল চরমে৷ তার জেরে শ্যামনগরের এক্সাইড ব্যাটারি কারখানায় গত ৫ দিন ধরে তৃণমূলের দুই শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে বিবাদ দেখা দিয়েছিল। এই ঘটনার জেরে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইকে গ্রেফতার করল জগদ্দল থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হচ্ছে৷ তবে, এই ঘটনায় দুই জনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

তৃণমূলের সংগঠন মজদুর মোর্চার অভিযোগ, একটি ঘর দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। এক্সাইড শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মচারিদের মারধর করা হয়। সেই ঘটনায় ওই সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি সঞ্জয় সিংকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাঁকে এদিন গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। সঞ্জয় সিংকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে জগদ্দল ঘোষপাড়া রোড অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা।

   

বৃহস্পতিবার রাতে সঞ্জয় সিংকে আটক করা হয়। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে তাঁকে নোয়াপাড়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। শুক্রবার তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করা হবে। এনিয়ে এখনই কোন ভাবেই মুখ খুলতে নারাজ তৃণমূলের নেতারা।

এদিন সকাল থেকে গোটা এলাকা থমথমে। সমস্ত রকমের অশান্তি এড়াতে নোয়াপাড়া থানায় মোতায়েন করা হয়েছে ব়্যাফ৷ থানার সামনে ভিড় করে রয়েছে এক্সাইড মজদুর মোর্চার সদস্য এবং পদাধিকারিরা। তাঁদের বক্তব্য, সঞ্জয় সিংয়ের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সঠিক নয়৷ যে ঘর দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে, সেটা তাঁদের বলে দাবি করছেন তাঁরা।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google