পাঁচ দশক পেরিয়ে কলকাতার চিনা দৈনিকের ছাপাখানা বন্ধ

বন্ধ হয়ে গেল ভারতের একমাত্র চিনা দৈনিকের কলকাতায় (kolkata) অবস্থিত ছাপাখানা। পাঁচ দশক একটানা চলার পর বন্ধ এই কাগজটির (Chinese daily) প্রকাশনা। কলকাতায় থাকা চিনা বংশজাতরা এই সংবাদপত্রটি ...

By Rana Das

Published:

Updated:

Follow Us

বন্ধ হয়ে গেল ভারতের একমাত্র চিনা দৈনিকের কলকাতায় (kolkata) অবস্থিত ছাপাখানা। পাঁচ দশক একটানা চলার পর বন্ধ এই কাগজটির (Chinese daily) প্রকাশনা। কলকাতায় থাকা চিনা বংশজাতরা এই সংবাদপত্রটি পড়তেন।

চিনা সংবাদপত্রটি সম্পাদক  কুও-সাই চ্যাং গত ৩০ বছর ধরে তাঁর কাগজে গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করতেন। তিনি ‘ওভারসিস চাইনিজ কমার্স অফ ইন্ডিয়া’ বা ‘সিওং পাও’ এর সম্পাদক ছিলেন। ২০২০ সালের করোনা অতিমারী এবং লকডাউনের প্রভাবের ফলে এই প্রথম থামল খবর ছাপানো।

   

প্রথম ধাক্কা ছিল ২০২০ সালে কুও-সাই চ্যাং-এর মৃত্যু। বন্ধ হয়ে যায় খবরের কাগজটি। লকডাউনের আগে প্রত্যেক দিন মাত্র ২০০ টি করে খবরের কাগজ ছাপানো হত। প্রত্যেকটি কপি বিক্রি হত ২ টাকা ৫০ পয়সায়। অতিমারির আগে অফিস খোলা থাকত সোম থেকে শনি ৪ ঘণ্টার জন্যে মাত্র। কিন্তু, জুলাই-এর পর থেকে এই খবরের কাগজটি শুধুই একটা নাম ছাড়া আর কিছু ছিল না।

কলকাতায় পিপলস রিপাবলিক অফ চায়নার কনস্যুলেট জেনারেল জা লিওউ বলেন যে ট্যাংরা এবং টেরেটি বাজারে চিনারা এখনও চেষ্টা করছেন দৈনিকটিকে পুনরায় চালানোর জন্য। তিনি জানান যে কাগজটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ একমাত্র কোভিড-১৯ এর প্রভাব। তিনি বলেন যে যদি কাগজটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এটি বিরাট বড় ক্ষতি হবে।

তবে ‘ওভারসিস চাইনিজ কমার্স অফ ইন্ডিয়া’ বা ‘সিওং পাও’ কিন্তু প্রথম চিনা ভাষার সংবাদপত্র ছিল না। ১৯৩৫ সালে, প্রথম চিনা সংবাদপত্র ‘দ্যা চাইনিজ জার্নাল অফ ইন্ডিয়া’ ভারতে প্রকাশিত হয়। আর ১৯৬৯ এ ‘সিওং পাও’ প্রথম প্রকাশ করেন লি ইয়ুন চিন। দৈনিকটি ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়েই খবর ছাপাত। কলকাতার চিনাদের জন্য ‘সিওং পাও’ গর্বের বিষয়।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google