Vegetables Price Hike: বঙ্গে টানা বৃষ্টির প্রভাব এখন মানুষের রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছেছে। পশ্চিমবঙ্গে পেঁয়াজ, ধনেপাতা, আদা ও কাঁচা লঙ্কা সহ বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, বৃষ্টির কারণে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বাইরের উৎস থেকে সবজির সরবরাহ কমে গেছে, যার ফলে দাম বেড়ে গেছে। এদিকে, সবজির চড়া দামে সাধারণ মানুষ বেশ বিপাকে পড়েছেন এবং দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে লঙ্কার ঝাঁঝেই চোখে জল। বাজারে ফেলেই যেন হাতে ছ্যাঁকা খাওয়ার জোগাড়। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব বাজারেই সবজির দর আকাশছোঁয়া। ১০০ টাকার নিচে শাক-সবজি পাওয়া যেন দুষ্কর।
বাজারে এখন অগ্নিমূল্য পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার শহরের প্রধান বাজারগুলতে দেখা গেল যে অধিকাংশ সবজিই এখন সেঞ্চুরি বা ডবল সেঞ্চুরিতে। বর্তমানে কাঁচা আদা, ক্যাপসিকাম এবং সজনা ডাঁটার দাম ছুঁয়েছে কেজি প্রতি ২০০-২৫০ টাকা! দাম বেড়েছে কাঁচা লঙ্কারও, কেজি প্রতি ১২০ টাকা। লঙ্কা কিনতে গিয়ে রীতিমতো চোখে জল ক্রেতাদের। অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় আনাজপাতির দামও অগ্নিমূল্য।
Also Read | খালি পায়ে ইতিহাস, ১১৫ বছর পরেও অমর মোহনবাগান দিবসের গৌরব
পটল, টমেটো, বেগুন কিংবা শসা সবকিছুরই দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজির ঘরে। শীতকালীন সবজি যেমন ফুলকপি ও বাঁধাকপির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে, আর বাঁধাকপির প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। তবে, বাজারে আলুর দাম অনেক কম। কেজি প্রতি ২০ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে আলু বিক্রি হচ্ছে। তাই এটাই এখন সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের একমাত্র ভরসা।
Also Read | সাংবাদিক নিগ্রহে গ্রেফতার ১৪! ছাত্রের মুখোশে জামাতি-মৌলবাদীদের জিরো টলারেন্সে শুভেন্দু
তবে সবজির চড়া দামের কারণ কী? বিক্রেতাদের মতে, বিভিন্ন আবহাওয়ার জন্য ক্ষেতেই অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে। এর ফলে বাজারে সবজির জোগান স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম। জোগান কমে যাওয়ায় পাইকারি ও খুচরো উভয় বাজারেই দর বেড়েছে। অপর দিকে, কিছু ব্যবসায়ী মনে করছেন, শ্রাবণ মাসে অনেকেই নিরামিষ খান, তাই আনাজপাতির চাহিদাও থাকে বেশি। সেই কারণেও বাজারের চড়া দাম সবজির হয়ত।





