শ্রম দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়েই বন্ধ জুটমিল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত অর্জুন সিংয়ের

কলকাতা: পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং শ্রম দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়ার পর (Arjun Singh)প্রথম দিনেই জুট শিল্প নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন। নিউ সেক্রেটারিয়েটে অনুষ্ঠিত এই…

arjun-singh-jute-mills-meeting

কলকাতা: পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং শ্রম দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়ার পর (Arjun Singh)প্রথম দিনেই জুট শিল্প নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন। নিউ সেক্রেটারিয়েটে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জুট শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শ্রম সচিব রচনা ভগত, বিশেষ শ্রম কমিশনার অশিস সরকারসহ দফতরের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বৈঠকে বন্ধ হয়ে যাওয়া জুট মিলগুলোর পর্যায়ক্রমিক পুনরায় চালু করা, শিল্পের বর্তমান অবস্থা, শ্রমিকদের সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিনিধিরা তাঁদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিয়েছেন। মন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, এই পরামর্শগুলোকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হবে।এক্স হ্যান্ডেলে মন্ত্রী লিখেছেন, “শ্রম দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ নিউ সেক্রেটারিয়েটে জুট শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলাম।

Advertisements

আরও দেখুনঃ হট্টগোলের মাঝেই লোকসভায় পাশ প্রশ্ন ফাঁস বিরোধী সংশোধনী বিল

শ্রম সচিব রচনা ভগত, বিশেষ শ্রম কমিশনার আশিস সরকারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বন্ধ জুট মিলগুলোর পর্যায়ক্রমিক পুনরায় চালু, শিল্পের বর্তমান অবস্থা, শ্রমিকদের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।”পশ্চিমবঙ্গে জুট শিল্প একসময় ছিল অর্থনীতির মেরুদণ্ড। হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল।

কিন্তু গত কয়েক দশকে অনেক মিল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বেকারত্ব বেড়েছে এবং শ্রমিক পরিবারগুলো চরম সংকটে পড়েছে। নতুন সরকার এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে বদ্ধপরিকর বলে মনে করা হচ্ছে।অর্জুন সিং স্পষ্ট করে বলেছেন, “সরকারের উদ্দেশ্য খুবই পরিষ্কার। পশ্চিমবঙ্গের জুট শিল্পকে আরও শক্তিশালী করা, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং কর্মসংস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।

আরও দেখুনঃ অনুব্রত ঘনিষ্ট বালি মাফিয়া টুলুর গ্রেফতারে ফের জিরো টলারেন্সের বার্তা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দুর

এই লক্ষ্য অর্জনে সব স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা ও সৃজনশীল অংশীদারিত্ব চাই।”বৈঠকে ইউনিয়ন প্রতিনিধিরা বন্ধ মিলগুলো দ্রুত চালু করা, শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে নানা দাবি তুলেছেন। মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, সব দিক বিবেচনা করে একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ তৈরি করা হবে।

জুট শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক সংগঠনগুলো এই বৈঠককে ইতিবাচক বলে মনে করছে। অনেকে আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন সরকার এই দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নেবে। তবে শ্রমিকদের মধ্যে এখনও সংশয় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ মিলগুলো চালু করার প্রতিশ্রুতি অনেক সরকারই দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে খুব কমই হয়েছে।

আরও দেখুনঃ পরিচয় গোপন করে হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলে পাচারের চেষ্টা! কেতুগ্রামে দাওয়াই মিন্টু মোল্লাকে